ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৫৬ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘রানা প্লাজা’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে নিষেধাজ্ঞা

রানা প্লাজার ধ্বংস্তুপ থেকে পোশাককর্মী রেশমাকে উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে নির্মিত মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘রানা প্লাজা’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী ও সম্প্রচারের ওপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই চলচ্চিত্রের জন্য সেন্সর বোর্ডের দেয়া সনদের কার্যকারিতাও একই সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
পাশপাশি ‘রানা প্লাজা’ চলচ্চিত্রের সেন্সর বোর্ডের দেয়া সনদ কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে একটি রলও জারি করেছেন। আদালত আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে তথ্য সচিব, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান ও চলচ্চিত্রটির প্রযোজককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের একটি সংগঠনের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেছুর রহমান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, এ আদেশের ফলে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহসহ কোথাও প্রদর্শন বা কোনো মাধ্যমে সম্প্রচার বা প্রচার করা যবে না।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিলের সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনা অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন পরিচালক নজরুল ইসলাম খান। সিনেমাটির প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন শামীমা আক্তার। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরীমনি ও সায়মন। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা চলচ্চিত্রটির পোস্টার এখন ঢাকা শহরের অলিতে-গলিতে দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন আটকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত গত ১৬ জুলাই ‘রানা প্লাজা’র সনদপত্র দেয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড।
এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ লীগের সভাপতি চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। রিটে বলা হয়, ১৯৭৭ সালের ফিল্মস সেন্সরশিপ রুলস অনুযায়ী চলচ্চিত্রে কোনো ভীতিকর দৃশ্য প্রদর্শন বা দেখানো যাবে না। কিন্তু এ সিনেমায় বিভিন্ন ভীতিকর দৃশ্য রয়েছে। এছাড়া এই সিনেমার ক্ষেত্রে ইতিপূর্বে হাইকোর্টের দেয়া গাইডলাইন লংঘন করা হয়েছে।