ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:৪৭ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মোজাম্মেল হক
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ফাইল ফটো

‘রাজাকার ও আল বদরদের তালিকা হবে’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার পাশাপাশি রাজাকার ও আল বদরদের তালিকাও করা হবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কারা রাজাকার ও আলবদর ছিলো তাদের তথ্য আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে ছিলো। কিন্তু খালেদা জিয়া দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে সেসব তথ্য নষ্ট করে ফেলেছে। বর্তমান সরকার সেসব তথ্য পুনরায় সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
মোজাম্মেল হক আজ বুধবার টাঙ্গাইল শহরের প্যারাডাইস পাড়ায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্তর উম্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে একথা বলেন।
টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খন্দকার জহিরুল ইসলাম ডিপটির সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন, পুলিশ সুপার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনসহ আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
মোজাম্মেল হক বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী হওয়ার পর পাকিস্থান যে ভাষায় কথা বলেছে, ঠিক সেই একই ভাষায় আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কথা বলছেন। তারা এখনও স্বাধীন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি। তারা এখনও স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্থান বানানোর।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে এমনকি তার স্বামী জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকা কালেও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। পাকিস্থানের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই খালেদা জিয়া এসব আবোল তাবোল কথা বলছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জামায়াত ইসলামকে আমরা নিষিদ্ধ করবো। একই সাথে যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সর্ম্পকে কটুক্তি করবে নতুন আইনের মাধ্যমে তারেও বিচারের আওতায় আনা হবে।
সকল জেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মান (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় ৬তলা ফাউন্ডেশনে ৩ তলা এ ভবন নির্মানের চুক্তি মূল্য ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩৬লাখ ২৮ হাজার টাকা। টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের তত্বাবধায়নে কাজটি বাস্তবায়ন করছে। তিনতলা বিশিষ্ট এ ভবনের নিচতলায় মার্কেট, ২য় তলায় অডিটোরিয়াম এবং ৩য় তলায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিশ্রামাগার ও অফিস থাকবে।