ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:১৮ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রাজাকারকে রাজাকারের রাজনীতি করতে দেওয়া যাবে না

জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আমাদেরকে আবার নতুন করে শপথ নিতে হচ্ছে, এটা জীবন-মরণ প্রশ্ন। জঙ্গিবাদীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশে কোনো সরকার হবে না। কোনো রাজাকারকে রাজাকারের রাজনীতি করতে দেওয়া যাবে না। বেগম খালেদা জিয়া যদি রাজনীতিতে টিকে থাকতে চান তাহলে জঙ্গিবাদীদের ত্যাগ করবেন। তিনি (খালেদা জিয়া) ১০ বছরে যেহেতু শোধরাননি তাহলে আর শোধরাবেন না। তিনি ভুল স্বীকার করেননি। তাই তিনি ইতিহাসের আবর্জনা হয়েই থাকবেন।
হাসানুল হক ইনু আজ মঙ্গলবার শহীদ কর্নেল তাহের বীর উত্তম মিলনায়তনে ‘বিজয় দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ আয়োজিত আলোচনায় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, জাসদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শিরীন আক্তার এমপি, সাধারণ সম্পাদক নুরল আম্বিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আকতার, যুগ্মা সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হাবিবুর রহমান শওকত ও মুক্তিযোদ্ধা মো. খালেদ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা হঠাৎ কুড়িয়ে পাওয়া কোনো স্বাধীনতা নয়; বাংলাদেশের স্বাধীনতা দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল। বাংলাদেশ একটি মহাকাব্য। এই মহাকাব্যের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই মহাকাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ১৬ ডিসেম্বর। এদিন হানাদার, জামায়াত আল বদরেরা নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
তিনি বলেন, ১৯৭১-এ হানাদারদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে যে আধুনিক বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল ১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান সেই পরাজিত শক্তির নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। জেনারেল জিয়া ও সামরিক শাসকেরা ইতিহাসকে ধামাচাপা দেয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করে, চাকরি থেকে তাদের বরখাস্ত করে এবং হিংস্র রাজাকারদের এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে হুমকিস্বরূপ বেগম জিয়া আবির্ভূত হন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরাজিত হয় মিথ্যাচারের, ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি ও ধর্ম নিয়ে মৌলবাদী রাজনীতি। বন্ধ হয় অপরাজনীতি, অগণতান্ত্রিক রাজনীতি, জঙ্গিবাদী রাজনীতি, সামরিকতন্ত্রের রাজনীতি। অবসান হয় গণহত্যা, নারী নির্যাতন, নেতানেত্রীকে জানে মারার অপচেষ্টা।
শিরীন আক্তার এমপি বলেন, আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি; মুক্তি আমাদের এখনো অর্জিত হয়নি। আপামর জনগণের অধিকার, মৌলিকার অধিকার, মানবাধিকার কৃষক শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে আমাদের স্বাধীনতা ধুলিসাৎ হয়ে যাবে।