ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:১৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রাজধানী কার্যত অবরুদ্ধ

দুই জোটের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে দেশজুড়ে। ঢাকায় রোববার বিকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সভা সমাবেশ নিষিদ্ব করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখি যানবাহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে রাজধানী। নিজের কার্যালয়ে গতকাল রাত থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সমাবেশে যাতে কেউ যোগ দিতে না পারেন সে জন্যই বাধার সৃষ্টি করছে সরকার। এদিকে পরিবহন মালিকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে তারা নিজেরাই যান চলাচল বন্ধ রেখেছেন।  রোববার সকাল থেকেই বগুড়ার ওপর দিয়ে সকল ধরণের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকা অভিমুখে কোন গাড়ি ছাড়েনি।  সহিংসতার আশঙ্কায় বাস ও লঞ্চমালিক সমিতির নেতারা ঢাকামুখী সকল পরিবহন বন্ধ রেখেছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সংবাদ পাওয়া গেছে। রাজশাহী থেকেও দুর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। সিলেট থেকে রোববার বিকাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে কোন বাস ছাড়েনি। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। দুপুরের পর থেকে বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে পল্টন, তেজগাঁও, গেন্ডারিয়া, নর্দা, গুলিস্তান ও শনির আখড়ায় পাঁচটি বাস ও একটি প্রাইভেট কার এবং ময়মনসিংহ সদরে একটি যাত্রীবাহী বাস পোড়ানো হয়েছে।  বেলা পৌনে ১টার দিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেইটের দিকে ফুটওভার ব্রিজের নিচে একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। বিকাল পৌনে ৪টার দিকে তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে গাবতলীগামী আরেকটি বাসে আগুন দেয়া হয়।
বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে গেন্ডরিয়ার দয়াগঞ্জ এলাকায় মালঞ্চ পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয়া হয়। বিকাল সোয়া ৫টার দিকে যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত পরিবহনের আরেকটি বাস অগ্নিসংযোগ করে কে বা কারা। সাড়ে ৫টার দিকে শনিরআখড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট কারে আগুন দেয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টার পর গুলিস্তানে একটি বাসে আগুন দেয়া হয়।