ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৫৯ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রাজধানীতে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছাত্রদল নেতা নিহত

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক যুবক (৩০) নিহত হয়েছেন। প্রথমে তাকে অজ্ঞাত বলা হলেও নিহত যুবক খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। তার নাম ইউনুস জামাল জনি।
সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে খিলগাঁও জোড়াপুকুর মাঠে কথিত এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
এর আগে রোববার দিনগত রাত ৪টার দিকে মতিঝিল এলাকায় ডিবির বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হন। পরে জানা যায় তিনি নড়াইল শহরের জামায়াত নেতা ইমরুল কায়েস।
খিলগাঁও থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান,  সোমবার দিনগত রাত ৩টার দিকে খিলগাঁও জোড়াপুকুর মাঠে ডিবি পুলিশের সঙ্গে দুর্বৃত্তদের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। এতে ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে পুলিশের এই পকর্মকর্তা প্রথমে নিহত যুবককে অজ্ঞাত জানিয়ে বলেছিলেন, ওই যুবকের পরনে জিন্স প্যান্ট ও গেঞ্জির ওপরে শার্ট ছিল। তার পরিচয় নিশ্চিত নয়।
এদিকে নিহত যুবক জনির পরিবার জানায়, জনি খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। পরিবারের দাবি তাকে সোমবার জেলগেট থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ ধরে নিয়ে যায়।
নিহত জনির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এর আগে রোববার দিনগত রাত ৪টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচাবাজরের কাছে ডিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি নিহত হয়। পরে জানা যায়, ওই ব্যক্তি নড়াইল ১ নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা ইমরুল কায়েস (৪০)।
ইমরুলের পরিবার ও স্থানীয় জামায়াত দাবি করেছে, তাকে অপরহণ করে ঢাকায় নিয়ে সন্ত্রাসী বানিয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
ইমরুলের বেলায়ও প্রথমে অজ্ঞাত পরিচয় বললেও পরে পুলিশ দাবি করে ইমরুল নাশকতাকারী। নড়াইল সদর থানা আক্রমণ মামলাসহ তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে একটি অত্যাধুনিক পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলায়। তিনি নড়াইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি।