ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:২৪ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রাঙামাটি
পাবর্ত্য চট্টগ্রাম, স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

রাঙ্গামাটিতে আবারো গুলি: নিহত ৩

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় গুলিতে তিন জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় থানার পুলিশ নিহতদের ইউপিডিএফের কর্মী বলে নিশ্চিত করেছেন।

বাঘাইছড়ি সাজেক থানার ওসি নুরুল আনোয়ার বলছিলেন আজ সোমবার ভোর রাত ৪টা থেকে ৫টা মধ্যে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি দুর্গম একটা এলাকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের আসতেও সেখানে সময় লেগেছে। তবে এই নিহত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়া আর কোন বিস্তারিত পরিচয় জানা যায় নি।

এদিকে রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবির আশঙ্কা প্রকাশ করছিলেন যারা মারা গেছে তারা ইউপিডিএফ এর মূল দলের কর্মী।

প্রতিশোধ?

চলতি মে মাসের শুরুর দিকে উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার নিহত হওয়ার পর তাঁর শেষকৃত্যে অংশ নিতে গেলে ইউপিডিএফের আরেকটি অংশ ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের নেতা তরুন জ্যোতি চাকমা নিহত হন।

মি. আলমগীর বলছিলেন আজকের এ ঘটনা সেটার একটা প্রতিশোধ হিসেবে হতে পারে।

পার্বত্য এলাকার পাহাড়িদের প্রধান দুটি সংগঠন জনসংহতি সমিতি এবং ইউপিডিএফের মধ্যে অন্তর্কলহ কথা অনেক দিন ধরে খবর হয়েছে।

তবে এই দুটি গ্রুপ ভেঙ্গে আরো দুটি গ্রুপ অর্থাৎ অন্তত চারটি গ্রুপ সক্রিয় থাকাই সেই দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানাচ্ছেন আজ পর্যন্ত গত ৫ মাসে তিন জেলায় ২১ জনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

১৯৯৭ সালে ডিসেম্বরে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তিচুক্তি হয়। এই চুক্তির পর ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা পাবে এমনটা অনেকের ধারণা ছিল।

কিন্তু ওই চুক্তির পর ইউপিডিএফ চুক্তির বিপরীতে অবস্থান নেই।

আবার দলটি ভেঙ্গে ইউপিডিএফ- গণতান্ত্রিক নামে আরেকটি গ্রুপ তৈরি হলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করে। -বিবিসি