ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৫৩ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার’

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, রমজান মাসে যাতে কোন অবস্থাতেই পণ্যের দাম অযৌক্তিক বৃদ্ধি না পায় সে জন্য সরকার সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় কোন পণ্যের সংকট নেই।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশে বর্তমানে চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি পরিমানে নিত্য প্রয়োজনী পণ্য সামগ্রীর মজুত, পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে। রমজান মাসকে সামনে রেখে চাল, আটা, চিনি, ভোজ্য তেল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ ও খেজুরসহ সকল পণ্যের সরবাহ ও মজুত নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মুশফেকা ইকফাৎ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুল হোসেন মিয়া, টিসিবি‘র চেয়ারম্যান ব্রি. জে. সালেহ, এফবিসিসিআই-এর সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, সিটি গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক বিশ^জিৎ সাহাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিকারক, পাইকারী ও খুচড়া ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রমজানে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো ব্যাপকভাবে বাজার অভিযান অব্যাহত রাখবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অসৎ ব্যবসায়ীরা যাতে কোন ধরনের পণ্যের কৃত্তিম সংকট বা অকারনে মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে সে জন্য সরকার সচেতন রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি পণ্যের চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমান মজুত রয়েছে, সংগত কারনে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কোন সম্ভাবনা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যবসাবান্ধব সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি চিনি মজুদ রয়েছে। মশুর ডাল, ছোলা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদসহ গরম মসলার মজুদ চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে। সংগত কারনে এ সকল পণ্যের সংকট হবার কোন সম্ভাবনা নেই।

সভায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি কারক, পাইকারী ব্যবসায়ী ও খুচড়া ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারের চাহিদার চেয়ে বেশি পন্য মজুত রয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে, প্রতি বছরেরমত এ বছর রমজান মাসে কোন পণ্যের সংকট হবে হবে না বা মূল্য বৃদ্ধি পাবে না।