ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৩১ ঢাকা, রবিবার  ১৯শে আগস্ট ২০১৮ ইং

নির্বাচন কমিশন

রংপুর সিটি নির্বাচনে আংশিক ইভিএম ব্যবহার হবে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আংশিকভাবে কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ও সিসি টিভি ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনে আগের এভিএমগুলো বাদ দিয়ে নতুন এভিএম পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা করে তিনি এসব কথা বলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী রংপর সিটিতে ভোটগ্রহণ করা হবে ২১ ডিসেম্বর, রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২২ নভেম্বর, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ২৫ থেকে ২৬ নভেম্বর, মনোনয়ন বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ২৭ থেকে ২৯ নভেম্বর, আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৪ ডিসেম্বর।

সুভাষ চন্দ্র সরকারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর অঞ্চলের ৪ জন জেলা নির্বাচন অফিসার ও ৭ জন উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শেষে রংপুর সিটিতে বর্তমান কমিশনের সক্ষমতা প্রমাণের কোন বিষয় থাকবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এ নির্বাচনে কমিশনের সক্ষমতা প্রমাণের কিছু নেই। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা করণীয় ইসি আইন অনুযায়ী তাই করবে।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, সিটি কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী গত ২ নভেম্বর রাত ১২টার পর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা সামগ্রী অর্থাৎ শুভেচ্ছা পোষ্টার , ব্যানার, বিলবোর্ড সরানোর নির্দেশ দেয়া হয়। তারপরও যদি এসব অপসারণ না হয়ে থাকে তাহলে আজ তফসিলের পরে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কমিশন সরাসরি ব্যবস্থা নিবে।

গত ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে এ সিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে। আইন অনুযায়ী ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি ২০১৮ এর পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে রংপুর সিটিতে নির্বাচন করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ সিটি কর্পোরেশনে বর্তমানে ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪২১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৯ এবং নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬২ জন। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র ১৯৬টি, ভোটকক্ষ ১ হাজার ১৭৭টি। ৫ বছর আগে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭৪২ জন।