ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:২২ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

জার্মানিতে যৌন শোষন

যৌন শোষন: জার্মানি কি ইউরোপের পতিতালয়?

গোটা বিশ্বে চার কোটি মানুষ এখনো এক অর্থে দাসত্বেরই শিকার৷ ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করানো হয় তাঁদের দিয়ে৷ এমন ১৬৭,০০০ জন মানুষ রয়েছেন জার্মানিতে৷ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত বৈশ্বিক দাসত্ব ইনডেক্স থেকে জানা গেছে এই তথ্য৷

অতীতে একজন মানুষের মালিকানা আইনত যখন আরেকজন মানুষের হাতে থাকতো, তখন তাঁকে দাসত্ব বলা হতো৷ বর্তমানকালে অবশ্য দাসত্বের সংজ্ঞা কিছুটা ভিন্ন৷ এই বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল জাস্টিস মিশন (আইজিএম)-এর চেয়ারম্যান ডিটমার রোলার বলেন, ‘‘দাসত্ব আর আইনিভাবে বৈধ নয়৷ তবে এটা বহুরূপী এবং গোপনে আজও টিকে আছে৷”

আধুনিক দাসত্ব সম্পর্কে ওয়াক ফ্রি ফাউন্ডেশন লিখেছে, ‘‘আধুনিক দাসত্ব বলতে এমন পরিস্থিতি বোঝানো হচ্ছে যেখানে একজন মানুষের স্বাধীনতা অন্য কেউ কেড়ে নিয়েছে৷ এটা একজনের নিজের শরীর নিয়ন্ত্রণের স্বাধীনতা হতে পারে, হতে পারে একজনের অপছন্দের কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকার অধিকার হারানোর মতো ব্যাপার৷ এই স্বাধীনতা হুমকি, সহিংসতা আর ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে হরণ করা হয়৷”

জার্মানিতে আধুনিক দাসত্বের দেখা মেলে মূলত অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে৷ দেশটির কেন্দ্রীয় ক্রিমিনাল পুলিশ (বিকেকে) জানিয়েছে, নির্মাণ খাত এবং খাদ্য পরিবেশন খাতে শ্রমিকদের জোর করে খাটানোর নমুনা পাওয়া গেছে৷ অবশ্য স্থানীয় শ্রমিকদের ভেতর থেকেও একইরকম অভিযোগ এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ গত বছর এ সংক্রান্ত ১১টি ঘটনা অনুসন্ধান করে ১৮০ জন আধুনিক দাসত্বের শিকার শ্রমিকের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ৷

তবে জার্মানিতে যৌন শোষনের হার ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশি৷ অবস্থা এমন যে, দেশটিকে ‘ইউরোপের পতিতালয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রোলার৷ বিকেএ’র হিসেবে জার্মানিতে ২০১৭ সালে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে সম্পৃক্ত করা সংক্রান্ত ৩২৭টি মামলা হয়েছে৷ আর এসব মামলায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন প্রথমে বুলগেরিয়া, রোমানিয়া এবং তারপর জার্মানির নারীরা৷ –ডি ডব্লিও

প্রতিবেদন: ইনেস ইসেলে / এআই