ভেনিজুয়েলা
ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা ভেনিজুয়েলার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুইদোকে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকৃতি দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিলেন মাদুরো।

বিবিসি জানিয়েছে, মার্কিন কূটনীতিকদের ভেনিজুয়েলা ত্যাগের জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন মাদুরো। যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, তার এ ধরনের নির্দেশ দেয়ার এখতিয়ার নেই।

বুধবার ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিক্ষোভ সমাবেশে বিরোধী নেতা গুইদো নিজেকে দেশের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্র গুইদোকে সমর্থন দিয়ে সেনাবাহিনীকে তার পক্ষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনী সাফ জানিয়েছে, তারা মাদুরোর প্রতি অনুগত থাকবে।

হুগো শ্যাভেজের উত্তরসূরি মাদুরো ২০১৩ সালে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। চলতি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি শপথ নিয়েছেন। গত বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে বয়কট করেছিল বিরোধীরা।

গত কয়েক বছরে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে যাওয়ায় ভেনিজুয়েলার অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি, বিদ্যুৎ সংকট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে মাদুরো সরকারকে।

কারাকাসে ভাষণে গুইদো অভিযোগ করে বলেন, মাদুরো ভেনিজুয়েলার ক্ষমতা দখল করে আছেন। লাখ লাখ লোকের উপস্থিতিতে ভেনিজুয়েলার বিরোধী দল নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের প্রধান ৩৫ বছর বয়সী গুইদো বলেন, ‘এই দখলদারিত্ব শেষ করার জন্য আমি রাষ্ট্রপতির সব ক্ষমতা গ্রহণ করার শপথ নিলাম।’

গুয়াইদো নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের মতো একই ধরনের বিবৃতি দিয়ে কানাডাও তাকে স্বীকৃতি দেয়। ব্রাজিল, কলম্বিয়া, চিলি, পেরু, ইকোয়েডর, আর্জেন্টিনা, প্যরাগুয়েও গুইদোকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

সর্বশেষ সংশোধিত: , মাধ্যম: শীর্ষ মিডিয়া