ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:১৫ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়,ফাইল ফটো

যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আমাদের পুলিশ কম হত্যা করেছে, নির্যাতনকে অনুমোদন করি না: জয়

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির তফাৎ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় আজ সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে, আমাদের পুলিশ কম হত্যা করেছে এবং আমরা অপহরণ বা নির্যাতনকে কোনভাবেই অনুমোদন করি না।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র দেশ যারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্যাতন অনুমোদন করেছে এবং অপহরণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন গোপন কারাগারগুলোতে মানুষদের আটক রেখেছে। এদের অধিকাংশ হলো সন্দেহভাজন জঙ্গি, কিন্তু এদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরপরাধ নাগরিক, যাদের বছর খানেকের মাঝে বা তারও বেশি সময় পর ছাড়া হয়। এই সময়ের মাঝে তাদের পরিবার জানতে পারেন না যে তাদের অপহরণ করা হয়েছে। তিনি ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার বরাত দিয়ে বলেছেন, ২০১৫ সালে মার্কিন পুলিশ তাদের দেশে ৯৮৬ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। তথাপিও, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের লোকদের অপরাধমূলক কাজের তদন্তের বিষয়টি নাকচ করে এসেছে।

তিনি বলেন, এটা তাদের জন্য যারা মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাকর্তৃক আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমালোচনাকে অনেক বড় কিছু মনে করছেন।

তিনি বলেন, তাই, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে, আমাদের পুলিশ কম হত্যা করেছে এবং আমরা অপহরণ বা নির্যাতনকে কোনভাবেই অনুমোদন করি না।

সম্ভবত অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

নিম্নে জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলঃ

For those who are making a big deal of the US Human Rights reports criticism of our law enforcement agencies, here are some facts. In 2015 US police around the country shot and killed 986 people. This is according to the Washington Post newspaper.

The US also has a policy allowing illegal immigrants to be arrested and held indefinitely, including women and children. Illegal immigration is a civil infraction, not a criminal one.

Finally, the US is the only country in the world to have officially sanctioned torture and kidnapped and tortured people in secret prisons around the world in what was officially called “extraordinary rendition”. Most of those were terror suspects but many were innocent citizens around the world who were released after sometimes a year or longer. In that period their families had no idea they had been kidnapped. Most European countries, including the UK, assisted in this “extraordinary rendition”. This all happened under a past administration and the US Senate recently investigated and announced that these actions were illegal. However, the US has declined to pursue any criminal investigation into its own people. No one will ever be charged for any of this.

So, compared to the US, our police kill less people and we do not sanction kidnapping or torture.

এটা তাদের জন্য যারা মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাকর্তৃক আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমালোচনাকে অনেক বড় কিছু মনে করছেন। এই হলো বাস্তবতা যে, ২০১৫ সালে মার্কিন পুলিশ তাদের দেশে ৯৮৬ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। এই তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায়।

যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে নারী ও শিশুসহ অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার ও অনির্দিষ্টকালের জন্য আটক রাখাও সমর্থন করে। অবৈধ অভিবাসন হচ্ছে একটি দেওয়ানি লঙ্ঘন, এটি কোন অপরাধমূলক কাজ নয়।

পরিশেষে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র দেশ যারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্যাতন অনুমোদন করেছে এবং অপহরণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন গোপন কারাগারগুলোতে মানুষদের আটক রেখেছে যাকে তারা বলে, “অসাধারণ পথদর্শন”। এদের অধিকাংশ হলো সন্দেহভাজন জঙ্গি, কিন্তু এদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরপরাধ নাগরিক, যাদের বছর খানেকের মাঝে বা তারও বেশি সময় পর ছাড়া হয়। এই সময়ের মাঝে তাদের পরিবার জানতে পারেন না যে তাদের অপহরণ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ বেশিরভাগ ইউরোপিয়ান দেশগুলো এই “অসাধারণ পথদর্শন” কার্যক্রমের সাহায্যকারী। এসব ঘটেছে পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট সম্প্রতি তদন্ত শেষে ঘোষণা করেছে যে এই কাজগুলো ছিলো অবৈধ। তথাপিও, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের লোকদের অপরাধমূলক কাজের তদন্তের বিষয়টি নাকচ করে এসেছে। কেউই কখনও এই বিষয়ে অভিযুক্ত হবেন না।

তাই, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনা করলে, আমাদের পুলিশ কম হত্যা করেছে এবং আমরা অপহরণ বা নির্যাতনকে কোনভাবেই অনুমোদন করি না।