পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, ফাইল ফটো

“মে মাসে’ খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমেছে”

চলতি অর্থবছরের মে মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি আগের মাসের তুলনায় কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এপ্রিলে এর পমিাণ ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর গতবছরের মে মাসে খাদ্যপণ্যের মূলস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

অন্যদিকে মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামাণ্য বেঁড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব তথ্য জানান।

এ সময় পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যাণ ব্যুারোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী,শহরের তুলনায় গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতির চাপ অনেকটা কম। মে মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। খাদ্য বহিভূর্ত পণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূণ্য ১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশে,যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূণ্য ৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ২২ শতাংশ। খাদ্য বহিভূর্ত পণ্যের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ।