Press "Enter" to skip to content

মেসি-রোক্কুসুর বিয়ে সম্পন্ন, দুটো সন্তানও আছে তাদের

 মেসি
মাঠে মেসির প্রেমিকা ও দুই সন্তান

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি যাকে বিয়ে করেছেন সেই আন্তোনেলা রোক্কুসুর সাথে মেসির দেখা হয়েছিলো যখন তার বয়স ছিলো মাত্র পাঁচ বছর।

তারপর অনেক সময় গড়িয়েছে। নিজের শহর ছেড়ে মেসি চলে গেছেন অন্য একটি দেশের অন্য একটি শহরে। হয়ে উঠেছেন বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন। কিন্তু তারপরেও এতো দীর্ঘ সময় তাদের প্রেম অক্ষুণ্ণ ছিলো। এরই মধ্যে তাদের দুটো সন্তানও হয়েছে।

অবশেষে সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা তাদের বিয়ের কাজটাও সেরে ফেললেন।

মেসি-রোক্কুসু
অবশেষে বিয়ে: ২৫ বছরের প্রেমের পর

মেসির নিজের শহর রোসারিওর একটি বিলাসবহুল হোটেলে বেশ ঘটা করেই বিয়ের এই অনুষ্ঠান হয়েছে। এবং বলা হচ্ছে, “এটি শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিয়ে।”

মেসির বয়স এখন ৩০ আর স্ত্রী রোক্কুসুর ২৯।

জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ২৬০ জন। তাদের মধ্যে ফুটবল স্টারসহ অন্যান্য সুপরিচিত নামী দামী ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ছিলেন বার্সেলোনায় মেসির সতীর্থ খেলোয়াড় লুইস সোয়ারেজ, নেইমার, জেরার্ড পিকে এবং তার স্ত্রী, কলম্বিয়ার পপ স্টার শাকিরা।
অতিথিদের অনেকে তাদের ব্যক্তিগত জেট বিমানে করেও আসেন বিয়েতে যোগ দিতে।

অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে কয়েকশো পুলিশও মোতায়েন করতে হয়েছিলো।

আর্জেন্টিনার একটি পত্রিকায় এই বিয়েকে ‘বর্ষসেরা বিবাহ’, “শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিয়ে’ বলেও উল্লেখ করেছে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা জনপ্রিয় এসব তারকাদের দেখতে লোকজন বিমানবন্দর ও হোটেলের আশেপাশেও ভিড় করেছিলো। তাদেরকে সামাল দিতে নিরাপত্তা সদস্যদেরকে হিমশিম খেতে হয়েছে।

দেড়শোর মতো সাংবাদিককেও এক্রিডিটেশন কার্ড দেওয়া হয়েছিলো। তাদের জন্যে নির্ধারিত ছিলো বিশেষ একটি প্রেস এরিয়া। অনুষ্ঠানের সব জায়গায় যাওয়ার অনুমতি তাদেরও ছিলো না।

হবু স্ত্রী রোক্কুসু মেসির ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর কাজিন। তার ওই বন্ধুও পরে ফুটবলার হয়েছিলেন।

রোক্কুসুর সাথে পরিচয়ের পর মেসি ১৩ বছর বয়সে স্পেনে চলে যান। কারণ তিনি বার্সেলোনায় খেলার প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু শর্ত ছিলো যে এজন্যে স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাবটিকে মেসির হরমোন-জনিত চিকিৎসার খরচ যোগাতে হবে।

এর আগে মেসি অনেকবারই বলেছেন, তার প্রেমিকা ও সাবেক ফুটবল ক্লাবকে পেছনে ফেলে তার স্পেনে চলে আসতে কতোটা কষ্ট হয়েছিলো।

বিয়ের আগে থেকেই এই যুগল একই ছাদের নিচে বসবাস করছিলেন এবং বার্সেলোনা শহরেই।

কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে ২১ মাসের সাজা হওয়ার কয়েকদিন পরেই মেসি বিয়ে করলেন। ওই সাজার বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন মেসি। কিন্তু তার সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে জেলে যেতে হবে না। কারণ জরিমানার অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে তিনি সেই সাজা এড়াতে পারবেন। – বিবিসি

Mission News Theme by Compete Themes.