ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:০৮ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর
ছবিঃ ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের ফেসবুক থেকে নেয়া।

মেয়েরা কেন পার পেয়ে যাবে? – বিএনপি নেতা শাহজাহান ওমর

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর অতি সম্প্রতি বনানীতে ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন, তিনি এ অভিযোগকে ধর্ষণ বলতে রাজী নন এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত মেয়েরা কেন বিচারের আওতায় আসবে না তা নিয়ে যুক্তি দিয়ে আজ বিকেলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিশদ ভাবে মন্তব্য করেছেন। তা নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলঃ

তিনি লিখেছেনঃ সাফাত দের বিচার হওয়া উচিৎ ! কিন্তু মেয়েরা কেন পার পেয়ে যাবে ? নিচের লেখাটি স্বাভাবিক ভাবে নিয়ে পড়েন !

ঘটনার রাতে দুই তরুণীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি সাফাত অনেকটা স্বাভাবিক বিষয়ের মতো স্বীকার করেন। বরং সেটিকে কেন ধর্ষণ বলা হচ্ছে তা নিয়ে রীতিমতো তিনি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পাল্টা প্রশ্ন করছেন।

মিউচুয়াল শারীরির সম্পর্ক কখনো ধর্ষণ হতে পারেনা।

আমার মতে সঠিক উওর জানতে ওই দুই তরুণী কে রিমান্ডে নেয়া উচিত,হ্যা,,মানলাম ধর্ষণের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষেরাই দায়ী,,কিন্তু না জেনে না বুজে সব কিছুতেই পুরুষদের দোষারপ করা হয় বলেই, আজ নারী অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত যত অন্যায় সংগঠিত হয়েছে একটি অন্যায়ের জন্য ও কোন নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়নি,অন্যান্য সাজা যদিও দেওয়া হয়েছে অন্যায়ের তুলনায় খুবই ক্ষুদ্র, যার ফলশ্রুতিতে নারী হচ্ছে পকেটমার, নারী হচ্ছে সন্ত্রাস, নারী হচ্ছে মানব পাচারকারী, নারী হচ্ছে স্বামী হত্যাকারী, নারী হয়েই নারী হচ্ছে যৌনপল্লীর সর্দারনী, স্বামী বিদেশে থাকে, দেশে বউ পরকীয়া করে,, স্বামী প্রতিবাদ করলেই নারী নির্জাতন মামলা,, নারীর হাতে পুরুষ সর্বশ্ব হারালেও দেশ, জাতি, সমাজ নারীর পক্ষেই অবস্থান নেয়, নারী পুরুষের দন্ধে নারীর বিজয়ই নিশ্চিত হয়, আজ যদি আমাদের দেশে বিচার ব্যবস্থা ভাল থাকত, তাহলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের কে ও কঠিন শাশ্তি পেত হতো, ফলে নারী সমাজ অন্যায় করার সাহস পেতো না,

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা কি এতটাই অবুঝ ? ওরা কি অসহায় গার্মেন্ট’স শ্রমিক ? বাসের জন্য বাসস্টপে দাঁড়িয়েছিল ? মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে ? একটি দেশে যেখানে আইনের শাসন নাই, যেখানে ধর্ষণ হয় প্রতিনিয়ত-শিশু থেকে শুরু করে যুবতী, বৃদ্ধা সবাই ! যেই দেশে নিজের সন্তানকে রক্ষা করতে না পেরে, বিচার না পেয়ে মেয়েকে নিয়ে বাবা আত্মহত্যা করে, যেই দেশে স্বয়ং মায়ের সামনে, মায়ের হাত পা বেঁধে সাত বছরের মেয়েকে নয়জনে মিলে ধর্ষণ করে, উপায়ন্তর না দেখে মায়ের আকুতি মিনতি ছিলো এই রকম “বাবারা একজন একজন করে এসো, আমার মেয়েটা ছোট মানুষ ও মরে যাবে” অসহায় সেই মায়ের আর্তনাদে মন গলে নাই পাষণ্ডদের। এইযে এখন এতো এতো আন্দোলন বিক্ষোভে উত্তাল সারা দেশ, মিডিয়া, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, অধ্যাপক, এদের সাথে যারা অন্দোলনে যাবে তারা সবাই নপুংসক কুলাঙ্গার ? সেই দিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলো, একটি কথাও কেউ বলেনি। কেননা, নির্যাতিত অসহায় মানুষেরা ছিলো গরিব কাঙ্গাল ! কেউ ত সেই সর্বহারা মায়ের খোজ নিলনা ! সাফাত ও তার বন্ধুরা ছিলো চরিত্রহীন সেটা মেয়েগুলা আগে থেকেই জানতো। তাহলে কেনো গেলো? আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে বলে কথা, কোটি কোটি টাকা আছে তার, আমি বলবো এরা টাকার লোভেই এতো রাতে সেখানে গিয়েছে,এরা টাকাও নিয়েছে, কিন্তু আপত্তি হলো ওই ছেলেরা ভিডিও কেন করলো ? আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে আমার ভাইওনা বাপওনা, তাদের অবশ্যই বিচার করতে হবে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েরা যায় চরিত্রহীন ছেলের জন্মদিনের পার্টিতে ? তাও আবার নাইট ক্লাবে ! কি আশা ছিলো? মিলাদ মাহফিল ? কি আশা নিয়ে ওরা বিচার চায় ? এই ঘটনার আগেই ধর্ষিতা শিশুকন্যাকে নিয়ে বাবা আত্মহত্যা করেন – সে খবর ওদের চোখে পড়েনি ?
নাকি অক্ষর জ্ঞান নাই এইসব মেয়ের ?

 

সূত্রঃ https://www.facebook.com/shahjahan.omar?hc_ref=NEWSFEED&fref=nf