Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:২৫ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মুসলিমরা মার খাওয়ার কারণ ‘ঐকমত্যের অভাব’

ঐকমত্যের অভাবে বিশ্বে মুসলিমরা মার খাচ্ছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক সংকট থাকার পরও বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করে তার দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ম্যারিয়ট মার্কি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের পক্ষে জনমত তৈরি করতেই তিনি এবার জাতিসংঘে এসেছেন বলে বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।

আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে জনগণের সঙ্গে নেতাদের ভাল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। যে কারণে মানুষের ভালবাসা জয় করুন। তিনি বাংলাদেশে সমৃদ্ধির পথে চলমান প্রক্রিয়া ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানান।’

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এশিয়ার সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথে বাংলাদেশ পরিচালিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও খ্যাতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন আর শান্তির মডেল হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘মানবিকতার প্রশ্নেও সারা বিশ্ব প্রশংসার সঙ্গে বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করছে। আর এসব অর্জন সম্ভব হচ্ছে প্রবাসীদের অকুণ্ঠ সমর্থনের কারণে। আমরা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা করতে চাই।’

জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে যোগদানের জন্যে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। সহযোগিতায় ছিলো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন। সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের সঞ্চালনায় এ সমাবেশের শুরুতে শেখ হাসিনার পুত্র ও প্রধানমন্ত্রীর আইটি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।