Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:১৭ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতা নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত’ : আমু

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকার যে সমর্থন ও সহযোগিতা করেছিল, তা বিশ্বের ইতিহাসে এক নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পাঁচ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ বিজয় উৎসব’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে বলা হয়, কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এ উৎসবের আয়োজন করে।
কোলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার জকি আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্য রাখেন।
আমু বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্যের পাশাপাশি ভারত প্রায় এক কোটি বাংলাদেশী শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। তিনি বলেন, এ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আড়াই লাখ ভারতীয় সেনার মধ্যে প্রায় দেড় হাজার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে সফল করার লক্ষ্যে ভারত সরকার বাংলাদেশী শরণার্থীদের লালন-পালনের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সহায়তা দিয়ে সাহায্য করেছিল।
আমু আরো বলেন, তিনি(ইন্দিরা) বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে বিভিন্ন দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা সেদিন বাংলাদেশের জনগণের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। কলকাতার থিয়েটার রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী অফিসটি বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে।
উল্লেখ্য, পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জামদানি, টাঙ্গাইল তাঁত শাড়ি, রাজশাহীর সিল্ক, বুটিক, হস্ত ও কারুশিল্প, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক ও মেলামাইন সামগ্রী। থাকছে কাচ্চি বিরিয়ানী, ভূনা খিচুড়ী, পিঠা-পুলি, সন্দেশসহ ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি মুখরোচক খাবার।
এছাড়া, প্রতিদিন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা থাকছে।