ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:৫১ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে

খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন প্রজন্মকে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাঙালি জাতি যদি তার সঠিক ইতিহাস লালন করে একটি ভীত রচনা করতে পারে তবেই বাংলাদেশ একটি সুখি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমি মিলনায়তনে বিজয় উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমির প্রধান পৃষ্ঠপোষক উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিজয় উৎসবে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি, এডভোকেট আবু জাহির এমপি, শফিকুল ইসলাম মুকুল এমপি প্রমুখ।
খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম আরো বলেন, বিগত ৩০ বছর বিকৃত ইতিহাস জানিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। প্রকৃত ইতিহাস জানতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা শক্ত ভীতের উপর দাঁড়াতে পারবে না।
তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস লেখা হয়নি। মিথ্যায় ভরপুর ইতিহাস জেনে গোটা জাতি অন্ধকারে ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার জাতিকে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তিনি আরো বলেন, আবারও জাতিকে অন্ধকারে নিয়ে যেতে দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক থাকার জন্য আহবান জানান।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ধাপে ধাপে বাঙালি জাতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যায়। ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ এবং ১৯৬৬’তে ৬ দফা ও পরে ১১ দফার আন্দোলন এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি।
তিনি বলেন, একদিন কেউ এসে ঘোষণা দিল আর আমরা বাংলাদেশ স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরলাম বিষয়টি তা নয়। এর পেছনে আমাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শিশু একাডেমি আজ সকালে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দিনব্যাপী এই বিজয় উৎসবের আয়োজন করে। বিকেলে বিজয় উৎসবের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।