ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:১২ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

মীর কাসেমের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটককৃত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মামলার রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে আজ।

বিচারপতি ওবাইদুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২  আজ রোববার ২ নভেম্বর এ রায় ঘোষণা করতে পারেন।  ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মুজিবুর রহমান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম।

১৯৭১ সালে হত্যা, নির্যাতন, অপহরণ, লুন্ঠন এবং অগ্নিসংযোগের মতো ১৪টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে। ১৪টি অভিযোগেই তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়।

২০১৩ সালের ১৬ মে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে ৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। এর পর মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তর করা হয় এবং ১৮ নভেম্বর প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারকাজ শুরু হয়।

গত বছরের ১১ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলামসহ মোট ২৪ জন। এরা হলেন- সৈয়দ মো. এমরান, মো. সানাউল্লাহ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক নাসিরুদ্দিন চৌধুরী, সুনীল কান্তি বর্ধন দুলাল, শহীদপুত্র শিবু দাস, মৃদুল কুমার দে, প্রদীপ তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা এস্কান্দার আলম চৌধুরী, মো. সালাহউদ্দিন ছুট্টু মিয়া, মো. জাকারিয়া, নাজিমুদ্দিন, মো. হাসান (১), মো. হাসান (২), ফয়েজ আহমেদ সিদ্দিকী, জুলেখা খান, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর চৌধুরী, হাসিনা খাতুন, এসএম জামাল উদ্দিন, এস এম সরওয়ার উদ্দিন এবং লুৎফর রহমান ফারুক। জব্দ তালিকার সাক্ষী হলেন চট্টগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরির বুক সর্টার কাউসার শেখ, বাংলা একাডেমির সহকারী গ্রন্থাগারিক এজাব উদ্দিন মিয়া এবং বাংলা একাডেমির প্রধান গ্রন্থাগারিক মোবারক মিয়া।

সাক্ষ্য শেষে গত ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, জেয়াদ আল মালুম, সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন।

এর পর ২৯, ৩০ এপ্রিল ও ৪ মে কাসেম আলীর পক্ষে যুক্তি দেন-তর্ক উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী এ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমীন।

উভয় পক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষে চলতি বছরের ৪ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) করা হয়।