Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:৫৬ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

মিশরীয় সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা, নিহত ২৭

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

মিশরের উত্তরাঞ্চলের সিনাই উপদ্বীপে বৃহস্পতিবার ইসলামী জঙ্গিদের দফায় দফায় হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন নিহত হয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই সৈন্য।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, উত্তর সিনাইয়ের প্রাদেশিক রাজধানী আল-আরিশে বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একটি গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এবং রকেট হামলা চালানো হয়। এছাড়া গাজার কাছে রাফাহ ও শেখ জুওয়াইদ শহরেও হামলা চালানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্র হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলায় মিশরীয় সরকারের প্রচেষ্টায় মার্কিন সহায়তা অবিচল থাকবে।
জঙ্গি সংগঠন আনসার বেইত আল-মাকদিস দাবি করেছে, তারাই ব্যাপক ও একযোগে এ হামলা চালিয়েছে। জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্রতি সংগঠনটির আনুগত্য রয়েছে।
২০১৩ সালে মিশরের ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটিতে বিদ্রোহ ীদের হামলা জোরদার হয়েছে।
২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী উপলক্ষে বিক্ষোভের মধ্যে চলতি সপ্তাহে দেশটিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালৗন নেতা হোসনি মোবারক ক্ষমতাচ্যুত হন।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, আল-আরিশে পুলিশের বেশ কয়েকটি কার্যালয়, একটি সামরিক ঘাঁটি ও একটি সামরিক হোটেল লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়। এরপর সামরিক ঘাঁটির গেটে একটি গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। নগরীর বিভিন্ন সেনা চেকপয়েন্ট লক্ষ্য করেও হামলা হয়েছে।
আল-আহরাম পত্রিকার আল-আরিশস্থ কার্যালয় পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে খবরে জানানো হয়েছে। পত্রিকাটির কার্যালয় সামরিক হোটেল ও ঘাঁটির বিপরীতে অবস্থিত ।
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, আল-আরিশের বাইরে একটি চেকপয়েন্টে হামলায় চার সৈন্য আহত হয়েছেন এবং রাফাহতে একটি চেকপয়েন্টে গুলিবিদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর এক মেজর নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারের ওই হামলায় ৫০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছেন।
গত অক্টোবরে একটি চেকপয়েন্টে হামলায় বেশ কয়েকজন সৈন্য নিহত হওয়ার পর থেকে উত্তর সিনাইয়ে জরুরী অবস্থা ও কারফিউ বলবৎ রয়েছে।
সেনাবাহিনী এ অঞ্চলে সহিংসতা দমনে বড় ধরণের অভিযান চালিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অভিযান ব্যর্থ হয়েছে।
জঙ্গি সংগঠন আনসার বেইত আল-মাকদিস এ অঞ্চলে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে এবং তারা বিভিন্ন সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে।