ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:০৫ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

হিজাব পরিহিতা এসপি বাবুল আক্তারের নিহত স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু

মিতুকে হত্যা করতে দেখেছেন ‘জানে আলম’

পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা সরাসরি দেখেছেন মাইক্রোবাসচালক জানে আলম।

মাইক্রোবাসসহ আটক হওয়ার পর তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্তি পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য জানে আলমের বরাতে এসব তথ্য দেন।

তিনি জানান, মাইক্রোবাসচালক জানে আলম কেন ওই সময়ে ঘটনাস্থল জিইসি মোড়ে গিয়েছিলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা এ বিষয়ে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বুধবার রাতে কালো রংয়ের মাইক্রোবাসটি জেলার সীতাকুণ্ড থেকে আটক করা হয়। এ সময় গাড়িতে চালক জানে আলম ছিলেন। তার বাড়ি সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন সকাল ৭টায় সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বের হতেন মিতু। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের দিন তিনি সকাল ৬টা ২০ মিনিটে বাসা থেকে বের হন।

কেন তিনি নির্দিষ্ট সময়ের ৪০ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হলেন, তাও খুঁজে বের করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান দেবদাস ভট্টাচার্য।

তিনি জানান, মিতু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বুধবার সকালে হাটহাজারী থেকে গ্রেফতার ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী আবু নছর গুন্নুকে রিমান্ডে নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গতকাল বুধবার হাটহাজারী থেকে সাবেক শিবিরকর্মী আবু নছর গুন্নুকে (৪০) গ্রেফতার করে পুলিশ।

এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে সন্দেহে চট্টগ্রাম নগরী থেকে কালো রঙের একটি মাইক্রোবাস চালকসহ আটক করে পুলিশ।

পুলিশের কাছে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে, মিতু হত্যাকাণ্ডের পর মোটর সাইকেলে করে তিনজন পালিয়ে যাওয়ার পরপরই একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস ওআর নিজাম রোডের সড়ক অতিক্রম করে গোলপাহাড় মোড়ের দিকে চলে যেতে দেখা যায়।