Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:২৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

মান্নাকে-র‌্যাব গুলশান থানায় হস্তান্তরের পরেই গোয়েন্দা কার্যালয়ে পাঠানো হয়

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

অডিও ক্লিপ ফাঁস নিয়ে তুমুল আলোচনায় থাকা মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আটকের ২১ ঘণ্টা পর গুলশান থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।
মঙ্গলবার রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ককে থানায় নেওয়ার পরপরই গোয়েন্দা কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তার আগ পর্যন্ত তাকে আটকের খবর অস্বীকার করে আসছিল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। অবশ্য র‌্যাবের কোনো বক্তব্য গণমাধ্যমে আসেনি।

র‌্যাব সূত্র জানায়, “পেনাল কোডের ১৩১ ধারায় গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, এই ধারায় সশস্ত্র বাহিনীকে বিদ্রোহে উসকানির কথা বলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৩২, তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি।”

গুলশান থানার এসআই সোহেল রানার করা এই মামলায় অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ও অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির কথোপকথনের অডিও ক্লিপের ভিত্তিতে রোববার একটি অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশের পর তা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে দেশজুড়ে।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার ভোররাতে মান্নাকে বনানীতে তার ভাইয়ের বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয় বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

তখন ঢাকা মহানগর পুলিশ বলেছে, এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।

গোয়েন্দা পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল ইসলামও বলেন, “মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আটক বা গ্রেপ্তার কোনোটাই করা হয়নি। তবে অন্য কোনো সংস্থা তাকে আটক করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

পুলিশ আটকের খবর অস্বীকার করার পর মান্নার পরিবারের পক্ষ থেকে দুপুরে বনানী থানায় একটি জিডি করা হয়।

মান্নার বড় ভাইয়ের স্ত্রী বেগম সুলতানার করা ওই জিডিতে বলা হয়, নিজের কলাবাগানের বাসা থেকে মান্না বনানীর ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। রাত ৩টা-সাড়ে ৩টার দিকে ৬-৭ জন লোক গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার বনানীর বাসা থেকেই মান্নাকে নিয়ে যায়।

“রাত সাড়ে ৩টার দিকে সাদা পোশাকের ৫/৬ জন বাসার গেটে এসে নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দেয় এবং এখানেই মান্না আছে বলে জানায়। এসময় বাসার লোকজন সকাল না হওয়া পর্যন্ত দরজা খুলতে অস্বীকার করে। পরে তারা দরজা ভেঙে ফেলার হুমকি দিলে দরজা খুলে দেওয়া হয়।”

এরপরই ওই ব্যক্তিরা বাসায় ঢুকে মান্নাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে বেগম সুলতানা জানান।

কিন্তু পরে পুলিশের অস্বীকারের খবর গণমাধ্যমে দেখে মান্নার সন্ধানে জিডিতে করেন বেগম সুলতানা।

জিডির পর বনানী থানার ওসি ভূইয়া মাহবুব হাসান সাংবাদিকদের বলেন, মান্নার অবস্থান জানতে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন।

মান্নাকে আটকের খবরে বিএনপির প্যাডে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ ক্ষোভ জানিয়ে অবিলম্বে তাকে পরিবারের কাছে ফেরত দিতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।