Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:১৯ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদা জিয়ার টুইটবার্তা

‘মানুষের শেষ রক্তবিন্দু শুষে নেয়ার বাজেট’ – খালেদা জিয়া

প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, এই নিষ্ঠুর বাজেট সাধারণ মানুষের শেষ রক্তবিন্দু শুষে নেয়ার বাজেট।

আজ এক টুইটবার্তায় খালেদা জিয়া ওই মন্তব্য করে বলেন, এই নিষ্ঠুর বাজেট সাধারণ মানুষের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত শুষে নেয়ার শোষক শ্রেণির সর্বশেষ চেষ্টা। প্রতিরোধই মুক্তির একমাত্র পথ।

এ ছাড়াও শনিবার ইফতারের আগে দেয়া বক্তব্যে তিনি সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করে বলেছেন, ক্ষমতাসীনদের ব্যাপক দুর্নীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, নির্বাহী কমিটি, জেলা ও মহানগর কমিটি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সম্মানে এ ইফতারের আয়োজন করেন খালেদা জিয়া।

রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটি-নবরাত্রি হলে অনুষ্ঠিত এ ইফতারে কয়েক হাজার নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন দেশের আজ কী অবস্থা। দেশের মানুষ নানা সমস্যায় রয়েছে। সরকার একটি বাজেট দিয়েছে। যেভাবে কর বসানো হয়েছে জিনিসপত্রে দাম আরও বাড়বে এবং দুর্নীতি করার আরও ব্যাপক সুযোগ করে দিয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে আরও বলেন, সরকার নাকি আবারও গ্যাসের দাম বাড়াবে। বুঝতে পারছেন, সরকার কী করতে চায়। যেখানে জনগণের কাছে পয়সা নেই, সেখানে যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আবারও বাড়ে তাহলে দেশের মানুষ বাঁচবে কী করে।

তিনি বলেন, এই সরকার হচ্ছে গণবিরোধী সরকার। তাদের সঙ্গে জনগণের কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ তারা (সরকার) জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সেজন্য জনগণের কষ্ট তাদের চোখে পড়ে না। তাই দেশে প্রয়োজন সত্যিকার অর্থেই একটি জনগণের সরকার, যারা জনকল্যাণে কাজ করবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। খালেদা জিয়া গ্যাসের দাম না বাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

একাদশ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আবদার না শুনার পরামর্শ দিয়েছে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে আহবান করব, এই সরকার আপনাদের কাছে যা কিছু আবদার করবে, আপনারা তা বাস্তবায়ন করবেন না। আপনারা জনগণের মতামত নেবেন। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই যেটা সবার মতামত দেবে, সেটার ভিত্তিতে আপনারা নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন চাই এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ বুঝতে পারবে, তাদের পায়ের নিচে মাটি আছে কিনা, জনগণের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক আছে কিনা সেটা প্রমাণ হবে।

ইফতারে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ- দলীয় অন্যান্য সিনিয়র ও কেন্দ্রীয় নেতারা ইফতারে ছিলেন।

 

“এতিম শিশুটিকে ইফতার খাইয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী”

ব্যাংক আমানতে কর বসানোর উদ্দেশ্য ‘বিদেশে টাকা পাচার’ : মওদুদ

মসজিদ নির্মাণ শ্রমিকের ভূমিকায় মন্ত্রী !!

‘জনগণের স্বার্থ রক্ষার বাজেট’ দাবি নাসিমের