Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৫৪ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ফটো

মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি ইতোমধ্যেই ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদীতে কিছু দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। কেননা, এখান থেকেই মাছ ধরা নৌকাতে করে ইয়াবা মাদক পাচার হয়।’

‘এ বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চলছে’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসংক্রমণ ব্যধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে ‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন’র একটি প্রতিনিধিদল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন’র সভাপতি এবং জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক ১০-সদস্যের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার দেশে মাদক সেবন এবং মাদক ব্যবসা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি রোগ নিরাময়ের চাইতে প্রতিবন্ধকতার প্রতিও অধিক গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন’র সদস্যরা সরকারের সঙ্গে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং মানসিক রোগ নিরাময়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। জাতীয় স্বাস্থ্য কাউন্সিলে এ বিষয়টি আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে তাঁর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পদক্ষেপেরও তথ্য এ সময় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরই স্বাস্থ্য সেবার আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন উন্নত যন্ত্রপাতির সন্নিবেশন ঘটায়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, কাজী রফিকুল আলম, অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক কাজী দিন মোহাম্মদ, ডা. আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক মোল্লা ওবায়দুল্লাহ বাকী এবং অধ্যাপক এ কে এম মহিবুল্লাহ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।