Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:০৫ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ফটো

‘মঙ্গোলিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন শেখ হাসিনা’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১তম ‘এশিয়া-ইউরোপ মিটিং’ (আসেম) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে মঙ্গোলিয়ায় তিনদিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস-এর একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আজ

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

মন্ত্রীবর্গ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনৈতিক কোরের ডীনসহ উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর জন্য বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

দু’দিনব্যাপী ১১তম ‘এশিয়া-ইউরোপ মিটিং’ (আসেম ১১, সম্মেলন) মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর-এর সাংগ্রি-লা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘আসেম-এর ২০ বছর : যোগাযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব।’

এবারের দু’দিনব্যাপী আসেম- সম্মেলনে ১১টি দেশের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ২৩টি দেশের প্রধানমন্ত্রী, ১৬ জন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তথা ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ও ইউরোপিয়ান কমিশনের সভাপতি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ান-এর মহাসচিব প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। এটাই ছিল মঙ্গোলিয়ায় আয়োজিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক কোন অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দু’টি প্লেনারি মিটিংসহ আসেম- সম্মেলনের উদ্বোধনী, সমাপনী এবং অন্যান্য অধিবেশনগুলোতে যোগদান করেন। দ্বিতীয় প্লেনারিতে, তিনি ‘প্রমোটিং আসেম পার্টনারশিপ অব গ্রেটার কানেকটিভিটি’ শীর্ষক একটি বিবৃতি দেন।

সম্মেলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ-এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পাশাপাশি, ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো জেন্টিলোনি সিলভেরি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

অধিকতর ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্ব গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এশিয়া ও ইউরোপের সম্পর্ক গভীরতর করার উদ্দেশ্যে এশিয়া ও ইউরোপের ৫১টি দেশ ও দু’টি আঞ্চলিক সংস্থার ফোরাম ‘আসেম’ গঠিত হয়। বাংলাদেশ ২০১২ সালে ‘আসেম’- এ যোগদান করে।

এশীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলোর ফোরাম ‘আসেম’- ১৯৯৬ সালের ১ মার্চ থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

আসেম-এর সদস্যগুলো হচ্ছে : অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, বেলজিয়াম, ব্রুনেই দাউস সালাম, বুলগেরিয়া, কম্বোডিয়া, চীন, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কাজাখস্তান, লাওস পিডিআর, লাতভিয়া, লিথুনিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালয়েশিয়া, মাল্টা, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, কোরিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম। এছাড়াও, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও আসিয়ান- এর সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে।