শীর্ষ মিডিয়া | Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৪৭ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ফাইল ফটো

মইনুলের গ্রেফতার হওয়া জরুরি ছিল : কাদের

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের গ্রেফতার হওয়া জরুরি ছিল বলে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখানে কোনো জোটের বিষয় নয়, ব্যক্তির অপরাধের বিষয়। এটি একটি অপরাধ। তিনি নারী সাংবাদিককে যেভাবে অ্যাবিউজ করেছেন, কোনো মার্জিত সুশীল ব্যক্তির পক্ষে কি সম্ভব এ ধরনের আচরণ করা? সাংবাদিকরাই তো কনডেম করেছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মইনুলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে মামলার কারণে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে তার সংশ্লিষ্টতা এখানে কোনো বিষয় নয়। এখন তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, সেখানে গ্রেফতার করাটাই জরুরি ছিল এবং পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

মইনুলকে গ্রেফতারের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তার পুরনাবৃত্তি রোধেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

‘এ ধরনের অপরাধ করে পার পেয়ে গেলে আরও অপরাধ করতে পারে। যাকে তাকে অশোভন অমার্জিত একটা ভালগার অবসিনিটি পর্যায়ে এমন গালি দিতে পারে, সেটার পুনরাবৃত্তি রোধে এটি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের তিনি নব্য নেতা- এসব ভেবে এটি করা হয়নি। ব্যক্তি হিসেবে যে অপরাধ, এ ধরনের বক্তব্যের কারণে, তার জন্যই তাকে গ্রেফতার করতে হবে।

ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো উদ্বেগ বা আশঙ্কা রয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে কোনো উদ্বেগ বা শঙ্কা নেই। প্রধানমন্ত্রী তো স্বাগত জানিয়েছেন, মইনুল হোসেনকে ব্যক্তিগত অপরাধের কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। হঠাৎ করে এসে তার রাজনীতির খায়েস হয়েছে, যাকে তাকে গালি দেবেন…।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে সংশোধনের সুযোগ নেই, আইনের অপপ্রয়োগ যাতে না হয় সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখব। সাংবাদিকদের জন্য এ আইন করা হয়নি। যদি আপনি কোনো অপরাধ না করেন, তা হলে ভয় কিসের?

গত ১৬ অক্টোবর মধ্যরাতে একাত্তর টেলিভিশনের টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে উদ্দেশ করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের এক মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে গত শনিবার বিবৃতি দেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৫৫ সম্পাদক ও বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক।

এর আগে ১৮ অক্টোবর ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেয়ার হুশিয়ারি দিয়ে নারী সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ ছাড়া সোমবার ভোলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রংপুরে ব্যারিস্টার মইনুলের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেন নারী সাংবাদিক ও নারীনেত্রীরা।

FOLLOW US: