ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:৩৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২২শে মে ২০১৮ ইং

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ফাইল ফটো

‘ভূমিকম্পে উদ্ধারে ক্রয় হচ্ছে ১৫৪ কোটি টাকার সরঞ্জাম’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুর মায়া, বীর বিক্রম বলেছেন, ভূমিকম্পে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য সরকার ১৫৩ কোটি ৫২ লাখ ৩৮ হাজার টাকার সরঞ্জাম ক্রয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

আজ সংসদে তরিকত ফেডারেশনের সদস্য এম এ আউয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৫৩ কোটি ৫২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয়ে রেসকিউ ভেহিকেল পিকআপ, রিচার্জেবল সার্চ লাইট, ফোল্ডেবল স্ট্রেচার, বডিগার্ড, ফেস/ গ্যাসমাক্স, রেসকিউ ইক্যুইপমেন্ট ফর ভলান্টিয়ার্স ও সার্চ ক্যামেরা কেনার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আরো আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ডিপিপি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠান হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প থেকে রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজে ব্যবহারের জন্য প্রায় ৬৩ কোটি টাকার ফর্ক লিফ্ট, পাইলট ট্রান্সপোর্টটার, এক্সক্যাভেটর, হুইল ডোজার, ক্রেন, মোবাইল লাইট ইউনিট ইত্যাদি অধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় করে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারী সংস্থা (সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, সিটি কর্পোরেশন, কোস্ট গার্ড ইত্যাদি) এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবার জন্য ৬২ হাজার আরবান সার্চ এন্ড রেসকিউ ভলান্টিয়ার তৈরির পরিকল্পণা সরকারের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুর মায়া বলেন, ভূমিকম্প পরবর্তি ধ্বংসাবশেষ সরানোর জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট সিটির জন্য পৃথক ডেবরিস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান এবং ডেবরিস ম্যানেজমেন্ট গাইড লাইন্স তৈরির কাজ প্রায় শেষ।

সরকারি দলের সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দূর্যোগের আগাম বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য আইভিআর (ইন্টারএকটিভ ভয়েস রেসপন্স) প্রযুক্তি দ্বারা সকল মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে প্রচারের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যে কোন মোবাইল ফোন থেকে ১০৯০ নম্বরে ডায়াল করলে দূর্যোগের বিষয়ে জানা যাবে।

তিনি বলেন, ডিএমআইসি (ডিজান্টার ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সেন্টার)-এর মাধ্যমে সকল জেলা ও উপজেলা সাথে অনলাইনে সকল তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় ৩ হাজার ৮৫১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে, আরো ১শ’টি বহুমুখি ঘূর্নিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।