ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:০২ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ভারত আরো ৫৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে

শীর্ষ মিডিয়া ১০ অক্টোবর ঃ    ভারত বাংলাদেশকে পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রীডের মাধ্যমে আরো ৫০০ মেঘাওযাট বিদ্যুৎ দেবে।  আজ এখানে ভারত-বাংলাদেশ পাওয়ার স্টিয়ারিং কমিটি বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ সচিব মনওয়ার ইসলাম সাংবাদিককদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিতে রাজী হয়েছে। তবে এটা পেতে ২০১৭ সাল নাগাদ লেগে যাবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বহরমপুর এবং ভেরামেরা গ্রীডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে ৫০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে।
বিদ্যুৎ সচিব জানান, বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে অত্যান্ত ফলপ্রসু অলোচনা হয়েছে । বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ সচিব মনওয়ার ইসলাম এবং ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সেদেশের বিদ্যুৎ সচিব পিকে সিনহা।
মনওয়ার ইসলাম বলেন, ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মনমোহন সিং-এর মধ্যে যে ফ্রেম ওয়াক এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছিলো উভয় দেশের জনগন তার সুফল পেতে শুরু করেছে। তিনি জানান, আজকের বৈঠকে কতিপয় সুনিদৃষ্ট সিন্ধান্ত হয়েছে।
বিদ্যুৎ সচিব বলেন, সার্কভুক্ত দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান’কে নিয়ে সার্ক বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। এব্যাপারে একাটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে ্ আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর নয়দিল্লীতে অনষ্ঠিতব্য সার্ক বিদ্যুৎ মন্ত্রীদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সিন্ধান্ত নেয়া হবে।
তিনি বলেন, সার্ক অঞ্চলে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভবনা রয়েছে । বাংলাদেশ এই সম্ভবনা কাজে লাগিয়ে লাভবান হতে চায়।
বিদ্যুৎ সচিব বলেন, রামপালে ভারতের সহযোগিতায় যে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্ত্র নির্মাণ করা হচ্ছে আজকের বৈঠকে তার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে।
ভারতের উৎপাদিত ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ৮০০ কেভি সুপার গ্রীডের মাধ্যমে উত্তÍরপূর্ব অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের বড়পুকোরিয় হয়ে উত্তর প্রদেশের মোজাফর নগরে যাবে এ থেকে বাংলাদেশ একটি ভাল অংশ বিদ্যুৎ পাবে। এব্যাপারে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ২০১৫ সালের সভেম্বর মাসের মধ্যেই রিপোর্ট প্রদান করব্ ে। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বিদ্যুতের ব্যাপরে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে। ভবিষ্যতে উভয় দেশ আরো বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।