শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৩৫ ঢাকা, সোমবার  ১৭ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

‘ভারতীয় গরু কম আসায় কিছুটা ঘাটতি তৈরি হবে’

ভারতীয় গরু কম আসায় আসন্ন কোরবানির ঈদে দেশি গরুই ভরসা। এবারের কোরবানির ঈদে ৫০ লাখের মতো গরু জবাই হতে পারে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, কোরবানির ঈদে বিক্রির মতো ৪০ লাখের মতো হৃষ্টপুষ্ট গরু ও মহিষ আছে।
এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, এবার ভারতীয় গরু কম আসায় তা কিছুটা ঘাটতি তৈরি হবে এটা সত্যি। কিন্তু তা দেশের গরুর খামারিদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। ঘাটতির কারণে দেশে এবার গরুর দাম কিছুটা বাড়লেও তাতে গরু লালন-পালনকারী সাধারণ কৃষকের লাভ হবে। ফলে পরের বছর তাঁরা আরও বেশি গরু লালন বাড়িয়ে দিয়ে দেশে গরুর ঘাটতি কমিয়ে আনবেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় অবশ্য বলছে, এবারের কোরবানির হাটে ৪০ লাখ দেশে পালিত গরু ও মহিষ এবং ৬৯ লাখ ছাগল ও ভেড়া উঠবে। দেশের বাইরে থেকে কিছু গরু আসবে। ওই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সব মিলিয়ে গরুর কিছুটা সংকট থাকলেও তাতে খুব একটা সমস্যা হবে না।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণে ৮৬ লাখ ২২ হাজার গরু ও মহিষ জবাই হয়েছে। যার মধ্যে কোরবানি হিসেবে জবাই হয়েছে ৪৫ লাখ। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, গত বছর কোরবানির ঈদে কমপক্ষে ৫৫ লাখ গরু জবাই হয়েছে।
কিন্তু বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ বলছেন, এবার যদি ভারত ও মিয়ানমার থেকে পাঁচ লাখ গরুও আসে, তাহলেও ১০ লাখ গরুর ঘাটতি থাকবে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গরুর সংখ্যা বাড়ছে গড়ে বছরে মাত্র এক লাখ। ফলে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য থেকেই যাচ্ছে।