ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:২৩ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

শ্রীলেখা মিত্র
শ্রীলেখা মিত্র, ছবি তার ইনস্টাগ্রাম থেকে সংগৃহীত।

‘ভাবনা যার নোংরা- নোংরা ভাববেই’ – শ্রীলেখা

বিতর্ক শব্দটা যেন পিছুই ছাড়তে চাচ্ছে না শ্রীলেখা মিত্রের। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কন্যা হিসেবে নাম লেখালেন টালিগঞ্জের প্রাণভোমরা শ্রীলেখা মিত্র। আর এতেই ঘটলো যতো বিপত্তি।

স্তন্যদান সপ্তাহ উপলক্ষে সম্প্রতি প্রকাশিত হয় ম্যাগাজিনটি। যার প্রচ্ছদে দেখা যায়, একটি শিশুকে স্তন্যপান করাচ্ছেন শ্রীলেখা। আর এই ছবিটি প্রকাশের পরেই শুরু হয়ে যায় বিতর্ক।

‘স্তন্যদান’ নিয়ে বাইরের দেশে তেমন কড়া নজরে কেউ দেখে না। অস্ট্রেলিয়ার লারিসা ওয়াটারস নামের এক নারী সিনেট সদস্য সংসদে নিজের সন্তানকে স্তন্যপান করিয়ে নজির গড়েছিলেন। তিনিই প্রথম সংসদে বসে সন্তানকে স্তন্যদান করে ইতিহাস গড়েন।

কিন্তু আমাদের প্রাচ্যের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনো ঠিক তেমন বদলায়নি। কিছুদিন আগেই এই কাজটি করেছিলেন মালায়ালাম অভিনেত্রী, মডেল এবং লেখিকা গিলু জোসেফ। মালায়ালাম পাক্ষিক ‘গৃহলক্ষ্মী’র প্রচ্ছদে তার স্তন্যদানের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় চারদিকে।

এবার একই কাজ করে হইচই ফেললেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

মূলত ‘স্তন্যদান’ প্রসঙ্গে ভ্রান্ত ধারণা ভাঙতেই এমন কাজে অগ্রসর হন তিনি। ছবিটি যেমন প্রশংসা কুড়ায় তেমনি সমালোচনার ঝড়ও কম নিয়ে আসেনি। রুঢ় ও কটাক্ষের সুরে তারা অভিনেত্রীকে আক্রমণ করেছেন তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীরা। তাদের দাবি, প্রচারণা পেতেই এমন ছবি তুলেছেন শ্রীলেখা ৷

এ সম্পর্কে শ্রীলেখা জানান, ‘স্তন্যদানের পক্ষপাতী আমি। আর আমার সন্তান জন্মানোর অনেক আগে থেকেই এ নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছিলাম। সমাজ অনেক এগিয়ে এসেছে। দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাধারা বদলাচ্ছে। সেই কারণেই এই ছবি তুলতে আগ্রহ দেখিয়েছি।’

শ্রীলেখা আরও বলেন, ‘আমি অনুচিত কাজ করিনি। আমি মনে করি, ভালো কাজ হয়েছে। আর আমি কারও মতামত জানতে চেয়ে কাজ করি না। মনে হয়েছে কাজটা ভালো, তাই করেছি। যারা নোংরা ভাবনা নিয়ে বসে আছে, তারা নোংরা ভাববেই। তাতে সমাজ থমকে থাকবে না। আমি মনে করেছি এটার মাধ্যমে একটা ভালো বার্তা পৌঁছনো যাবে।’