ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৩৬ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

‘ভবিষ্যৎ আন্দোলনকে ঘিরে বিএনপির শপথ’

আজ এক বৈঠকে ভবিষ্যৎ আন্দোলনকে ঘিরে দলকে আরো শক্তিশালী করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যে নেতৃত্ব দেবে সংগঠনকে সেভাবে গড়ে তোলার শপথ নিয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,‘বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের জন্য যাদের আলাদা কোনো প্রস্তুতি নিতে হয় না। ১৯৯১ সালে বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলেছিলেন যে, বিএনপি ১০-১১টি আসনে প্রার্থী দিতে পারবে। অথচ দেখা গেল, বিএনপি সরকার গঠন করেছে। বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় দলগত ও সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত থাকে’।

শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির নতুন কমিটির নেতাদের এক বৈঠকের মধ্যমে শপথ নেয়া হয়। বৈঠক শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির নতুন কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে এ বৈঠক হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত বৈঠক চলে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন কমিটির শপথ প্রসঙ্গে বলেন, ক্ষমতাসীনরা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে গণতন্ত্রের সমস্ত স্তম্ভকে ভেঙ্গে দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে সেজন্য নতুন করে শপথ নিয়েছে। বিএনপির কমিটি (আংশিক) ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতাদের নিয়ে এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে ভবিষ্যৎ আন্দোলনকে ঘিরে দলকে আরো শক্তিশালী করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যে নেতৃত্ব দেবে সংগঠনকে সেভাবে গড়ে তোলার শপথ নেয়া হয়েছে।

বাজেট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এ ব্যাপারে খুব শিগগিরই দলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হবে, সেখানে আপনারা বিস্তারিত জানতে পাবেন।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করার জন্য বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমস্ত স্তম্ভকে ভেঙ্গে দিয়েছে। দেশকে এখান থেকে বের করে আনার জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সত্যিকার অর্থে সকলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। সরকার অবিলম্বে এ ধরনের নির্বাচনের ব্যবস্থা না করলে দাবি আদায়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। সেজন্য বিএনপির যে অতীত ভূমিকা সেটিকে সামনে নিয়ে আসতে হবে, নেতাকর্মীদের নতুন করে উজ্জীবিত করতে হবে। সে লক্ষ্যেই আজকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন-অর রশিদ; সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, সেলিমুজ্জামান সেলিম, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, আব্দুল আউয়াল খান প্রমুখ।