স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, সরকারি-বেসরকারি যেকোন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জেল-জরিমানাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, এডিস মশা নিধনে ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। টিভিসহ গণমাধ্যমে বিভিন্ন রকম প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তারপরও যারা এ বিষয়ে সচেতন হবেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারি-বেসরকারি যেকোন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জেল-জরিমানাসহ শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তাজুল ইসলাম আজ সচিবালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্বকালে একথা বলেন। সভায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও মো. আতিকুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নযয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়েরর পক্ষ থেকে তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, ৯৫ভাগ এডিস মশার জন্ম বাসাবাড়ি বা অফিসে। এডিস মশা নির্মূলে ব্যবস্থা নিতে ও নিয়ম মানতে জনগনকে বাধ্য করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এডিস মশার জন্ম হয়। এজন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাকে জরিমানা করা হবে এ বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ঢাকা উত্তরের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জরিমানা করা হবে বা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন খাল বা জলাধারগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে পরবর্তী সভায় তার প্রতিবেদন পেশ করতে হবে। এছাড়া দুই সিটি কর্পোরেশনে পার্শ্ববর্তী দেশের কলকাতা শহরের আদলে র‌্যপিড একশন টিম গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া মাত্র তার বাসস্থান ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়রর সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।