ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:০৪ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মনিরুল ইসলাম
কাউন্টার টেরোরিস্ট অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মিঃ মনিরুল ইসলাম

‘ব্লগার নাজিমুদ্দিন হত্যায় ৫ জন জড়িত ছিল’

ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ হত্যাকাণ্ডে পাঁচজন জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসির) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। সোমবার ডিবি কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজিমুদ্দিন হত্যায় মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাশেদুন্নবী আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। ২০১৫ সালে তিনি এই সংগঠনে যোগ দেয়। এরপর তিনি দাওয়াতের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের কাজ করছিলেন। পাশাপাশি অপারেশন শাখার দায়িত্বও পালন করছিলেন।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদুন্নবী জানিয়েছেন, নাজমুদ্দিন হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি বাসা ভাড়া নেয়া হয়। এই হত্যায় অংশ নেয় তিনিসহ পাঁচজন। তাদের মধ্যে চারজনের হাতে চাপাতি ও একজনের হাতের আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

কাউন্টার টেররিজম প্রধান জানান, রাশেদুন্নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যার হুমকির বিষয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একটি ব্যক্তিগত নম্বর থেকে হুমকিগুলো দেয়া হয়েছে। হুমকিদাতা কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গত ৬ এপ্রিল রাতে সূত্রাপুরের একরামপুরে নাজিমুদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রাতে রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকা থেকে রাশেদুন্নবীকে গ্রেফতার করে কাউন্টার টেররিজম ও গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস পর এই ঘটনায় প্রথম কাউকে গ্রেফতার করা হলো।