ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৩৩ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

কামরুল ইসলাম
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম, ফাইল ফটো

ব্রাজিলের গমকে পচা ও খাওয়ার অনুপযোগীর খবর মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর

ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত গম নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ব্রাজিলের গমকে পচা ও খাওয়ার অনুপযোগী আখ্যা দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। এই গম ভালো এবং খাওয়ার উপযোগী।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কামরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ), সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক), পত্র-পত্রিকার সংবাদিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কারো যদি সন্দেহ থেকে থাকে আমি তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি। তারা আমাদের যে কোনো গোডাউন থেকে গম সংগ্রহ করে যে কোন জায়গায় পরীক্ষা করতে পারে। আমি এজন্য তাদের সহযোগীতাও করবো।
মন্ত্রী বলেন, ব্রাজিল থেকে আনা গমগুলো জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে এ গম খাওয়ার উপযোগী। এছাড়া সায়েন্স ল্যাবরেটরিতেও পরীক্ষা করা হয়েছে, দেখা গেছে গম খাওয়ার উপযোগী। পরীক্ষার বিষয়ে আমরা অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জানাবো। এটা তো প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করে।
এসময় পত্রিকায় প্রকাশিত গমের ছবির সঙ্গে খাদ্য অধিদফতরের গোডাউনে থাকা গমের কোন মিল নেই বলে দাবি করেন মন্ত্রী।
ব্রাজিল থেকে আর কোনো গম আমদানি করা হবে না জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ গম খাওয়ার অনুপযোগী নয়, তবে দেখতে ভালো নয়। আগামীতে আরো বেশি প্রোটিনযুক্ত গম আমদানি করবো আমরা।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।
উল্লেখ্য, ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত গমকে পচা ও খাওয়ার অনুপযোগী আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। মূলত পুলিশের কাছ থেকে এ গমের বিষয়ে অভিযোগ যাওয়ার পরই সামনে আসে গম কেলেঙ্কারির বিষয়টি। খাদ্য অধিদফতরের যে মহাপরিচালকের সময়ে এই গম আমদানি করা হয় ইতোমধ্যে তাকে ওএসডিও করা হয়েছে। গণমাধ্যমের খবর, এরপর মহাপরিচালকের দায়িত্ব পাওয়া ফয়েজ আহমেদ ব্রাজিল থেকে আসা গমের একটি চালান খালাসে অস্বীকৃতি জানান।