ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:১৭ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক খাত কেন অস্থির?

গত ২৯ জুলাই বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের নতুন প্রজন্মের ফারমার্স ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে৷ তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে৷

গত এপ্রিল মাসে দায়ের করা এক মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাদেরকে দুদক-এ ডাকা হয়৷ ওই মামলায় আটক আছেন ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী৷

মাহবুবুল হক চিশতীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, কয়েকজন ব্যাংকারের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকের ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন৷ চিশতী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তাদের একজন৷ ২০১৩ সালে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক বিবেচনায় যে ৯ টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়, ফারমার্স ব্যাংক তার অন্যতম৷ ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাকালীন মূল উদ্যোক্তা আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর৷ তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি৷ সরকারি হিসাব তদারকির দায়িত্বে থাকা এ রাজনীতিবিদের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটির হিসাবেই বড় ধরনের গরমিল পায় ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক৷

ফারমার্স ব্যাংকে নয়ছয়

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার নানা নির্দেশনাকে অমান্য করতে শুরু করে ফারমার্স ব্যাংক৷ এক পর্যায়ে অনুসন্ধানে বেশ কিছু ঋণ অনিয়ম উদঘাটন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা৷ অনিয়মের পাশাপাশি ব্যাংকটি কার্যকর তহবিল ব্যবস্থাপনা করতে ব্যর্থ হয়৷ ফারমার্স ব্যাংক গত বছরে এসে বড় ধরনের তারল্য সংকটে পড়ে৷ এ অবস্থায় গত বছরের নভেম্বরে ব্যাংকের পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেন মহিউদ্দীন খান আলমগীর এবং মাহবুবুল হক চিশতী৷

ফারমার্স ব্যাংক নিয়ে এত কথা বলার উদ্দেশ্য হলো, বাংলাদেশের কিছু ব্যাংকে এ বছর দায় ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় যে অসামঞ্জস্য দেখা দেয়, তার অন্যতম অনুঘটক ছিল ফারমার্স ব্যাংকের তারল্য সংকট৷ গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে ফারমার্স ব্যাংকে তারল্য সংকট প্রকট হয়ে ওঠে৷ সরকারের জলবায়ু ট্রাষ্ট ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার আমানত ছিল এ ব্যাংকে৷ এর একটি অংশের মেয়াদ পূর্তিতে যখন ব্যাংকটি টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হলো, তখন অনেকেই সেখান থেকে টাকা তুলে নিতে চাইলেন৷

এর প্রভাব পড়ে অন্যান্য ব্যাংকে, বিশেষত নতুন ব্যাংকগুলোতে৷ কোনো কোনো নতুন ব্যাংক থেকে আমানত প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটতে থাকে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু ব্যাংক বেশি সুদে আমানত নেয়া শুরু করে৷ ফলে ব্যাংক খাতে তারল্যের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়৷ কোনো কোনো ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে পড়ে৷ বাংলাদেশ ব্যাংক এক পর্যায়ে ফারমার্স ব্যাংকের পর্ষদ পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা ফেরানোর চেষ্টা করে৷ সরকারও কয়েকটি ব্যাংকের মাধ্যমে মূলধন যোগান দেয়৷ ব্যাংকটিকে কোনো রকমে বাঁচানো যায়৷ কিন্তু সামগ্রিক ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে৷

ঋণ-আমানত ও সুদহার

আগের দু’বছর সুদহার কমে আসার প্রবণতা থাকলেও ২০১৭ সালের শেষের দিকে ব্যাংকে সুদের হার বাড়তে থাকে৷ এর কারণ, অনেক ব্যাংকেই আমানত যে হারে বেড়েছিল, ঋণ বেড়েছিল তার চেয়ে বেশি হারে৷ বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেল, বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঠিকমতো দায় ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না৷ গত বছরের ডিসেম্বরের শেষে অন্তত ১৫ টি ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) নির্ধারিত সীমার বেশি ছিল৷ প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে ৮৫ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারতো৷ ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এ হার ছিল ৯০ শতাংশ৷ আমানতের প্রবৃদ্ধির তুলনায় এসব ব্যাংকে ঋণ প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি ছিল৷ ঋণ প্রবাহে কিছুটা লাগাম টেনে ধরতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩০ জানুয়ারি এক নির্দেশনায় প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এডিআর ৮৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ইসলামি শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে ৮৯ শতাংশ নির্ধারণ করে৷ ব্যাংকগুলোকে তা সমন্বয়ে এক বছরের বেশি সময় দেওয়া হয়৷

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে অধিকতর সতর্ক হওয়ার এ বার্তা দেয়ার কিছুদিন পর ব্যাংকগুলোর উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকস (বিএবি) ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করে৷ যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছে, ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট নেই৷ সংকট থাকলে ব্যাংকগুলোতে স্বল্পমেয়াদি কলমানির সুদের হার এত কম থাকতো না৷ এ সময়ে কলমানির সুদের হার সর্বোচ্চ ৪ শতাংশের মধ্যে ছিল৷

বিএবির অন্যতম দাবি ছিল, ব্যাংকগুলো বাধ্যতমুলকভাবে আমানতের যে অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে ( সিআরআর) তা কমানো হোক৷ এই সিআরআর বা বিধিবদ্ধ নগদ জমার হার কমানোর ক্ষেত্রে সংগঠনটি চাপ তৈরি করে এবং সফলও হয়৷ গত ১ এপ্রিল ঢাকার হোটেল সোনাগাঁওয়ে এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিত ঘোষণা দেন, সিআরআরের হার ১ শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. ফজলে কবির৷ অর্থমন্ত্রীকে ওই বৈঠকে ব্যাংকের উদ্যোক্তারা ঋণের সুদহার কমাবেন বলে আশ্বাসও দেন৷ এভাবে হোটেলে বৈঠক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা সমালোচিত হয়৷

বৈঠকের কয়েকদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে৷ সিআরআরের নতুন হার ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে৷ চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকগুলোর কর্পোরেট করহার আড়াই শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৩৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়৷ এ সুযোগ দেয়ার পর সরকারের নীতি নির্ধারক পর্যায় থেকে ঋণের সুদহার কমাতে চাপ দেয়া হয়৷

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সব সময়কার দাবি, ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা হোক৷ এ জন্য তারা বিভিন্ন সময়ে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন৷ এদেশের সুদহার ব্যবস্থা নব্বইয়ের দশক থেকে বাজারভিত্তিক৷ তবে কৃষিঋণ ও রপ্তানি ঋণের সুদহার বেধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক৷ সম্প্রতি ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সমিতি-বিএবি আমানত ও ঋণের সুদহার এক প্রকার বেধে দিয়েছে৷

গত ২০ জুন বিএবি ঘোষণা দেয়, ব্যবসা বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহায়তা দিতে ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো ৯ শতাংশের বেশি সুদ নেবে না৷ আর ৩ মাস মেয়াদি আমানতের সুদহার হবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ৷ গত ১ জুলাই থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা ছিল৷ তবে সব ব্যাংক তা কার্যকর করেনি৷ যারা কার্যকর করেছে, তারা শুধু শিল্পের মেয়াদি ঋণ ও চলতি মূলধনের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশ সুদ নির্ধারণ করছে৷ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এখনও সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ পাচ্ছে না৷ ক্রেডিট কার্ড কিংবা অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের অনেক বেশি৷

ঋণ বিতরণে অনিয়ম

ঋণ বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত গত কয়েক বছর ধরে সমালোচিত৷ বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংস্থা বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে ব্যাংকগুলোতে সুশাসনের ঘাটতিকে আর্থিক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে৷ সম্প্রতি মুডিস, এসএন্ডপি এবং ফিচ বাংলাদেশের ক্রেডিট রেটিং নিয়ে যে মূল্যায়ন করেছে, সেখানেও ব্যাংক খাতের দুর্বলতার প্রসঙ্গটি বার বার এসেছে৷ অনিয়ম ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কারণে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার এখন ১০ শতাংশের বেশি৷ বড় অংকের ঋণ অবলোপন না করলে এ হার আরও বেশি থাকত৷

রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলো অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতি বছরই মূলধন ঘাটতিতে পড়ছে৷ জনগণের করের টাকায় বাজেট থেকে সেই ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে৷ অর্থনীতিবিদদের অনেকেই সরকারের এ সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক মনে করেন না৷ বেসিক ব্যাংক ছিল এক সময় রাষ্ট্রীয় মালিকানার সবচেয়ে ভাল ব্যাংক৷ রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া আব্দুল হাই বাচ্চু পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নিয়োগ পাওয়ার পর ব্যাংকটি অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়৷ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ব্যাংকটিতে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণে বড় ধরনের অনিয়ম পায় বাংলাদেশ ব্যাংক৷ ব্যাংকের টাকা মেরে দিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনেক ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়া হয়৷ এসব ঋণের বেশিরভাগই আর ব্যাংকে ফেরত আসেনি৷

রাষ্ট্রীয় মালিকানার সবচেয়ে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংক থেকে স্বল্প পরিচিত ব্যবসায়িক গ্রুপ ‘হলমার্ক’ ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাৎ করে৷ হলমার্কের মতো প্রতিষ্ঠানকে এত বড় অংকের ঋণ দেয়ার পেছনে রাজনৈতিক অঙ্গনের কারও কারও সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে গুঞ্জন ছিল৷

আরেক সরকারি ব্যাংক জনতাও সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ অনিয়মের কারণে আলোচিত৷ সরকারি কিছু ব্যাংক একক ঋণ গ্রহীতার সীমা লঙ্ঘন করে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে, যাদেরকে ঋণ কেলেঙ্কারির পর ব্যবসায়ী হিসেবে মানুষ চিনেছে৷ এরা ঋণ নিতে যেয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রচুর অর্থ ঘুষ দিয়েছেন বলেও কথিত রয়েছে৷

ব্যাংক অনুমোদন নিয়ে বিতর্ক

ব্যাংক খাতে অস্থিরতার আরেকটি কারণ হলো, নতুন ব্যাংকের অনুমোদন৷ বাংলাদেশ ব্যাংকের আপত্তি থাকলেও সরকারের ইচ্ছায় সংস্থাটি ২০১৩ সালে নতুন ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়৷ অর্থনীতিবিদ কিংবা ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলে থাকেন, বাংলাদেশে নতুন করে এত ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া ঠিক হয়নি৷

নতুন ৯ টি ব্যাংক আসার পর এর সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৭টিতে৷ এর বাইরে ব্যাংক-বহির্ভুত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩৩টি৷ রয়েছে অনেক বীমা কোম্পানি৷ ব্যাংকগুলো গ্রামে গ্রামে এজেন্টদের দিয়ে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে৷ ক্ষুদ্রঋণ অর্থায়নকারী এনজিওগুলো সারাদেশে কাজ করছে৷ এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন ছিল না বলে মনে করেন মনে করেন আর্থিক খাতের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ৷ সমালোচনার মুখে আবারও নতুন কয়েকটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হবে বলে শোনা যাচ্ছে৷

ব্যাংকারদের অনেকেই বলছেন, নতুন ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ার পর তারা বেশি সুদে আমানত অফার করে অন্য ব্যাংকের গ্রাহক টানতে চেষ্টা করে৷ এটিই ব্যাংক খাতকে অস্থির করে তোলে৷ ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্য ব্যাংকের খেলাপি গ্রাহককে নতুন করে ঋণ দিয়ে নিজের গ্রাহক বানানোর প্রবণতাও দেখা দেয়৷ আরও ব্যাংকের অনুমোদন দিলে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা বাড়তে পারে৷ -খবর ডি ডব্লিউ, লেখকঃ জাকির হোসেন, সাংবাদিক