ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৪৮ ঢাকা, শুক্রবার  ১৭ই আগস্ট ২০১৮ ইং

“ব্যাংকার পারভিনকে পাঁচজন মিলে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়”

এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা পারভিন সুলতানাকে পাঁচজন মিলে গণধর্ষণের পরই হত্যা করা হয়েছিল। নিজে এমন দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জনাববন্দি দিয়েছে স্থানীয় যুবক মো. লিটন।
সোমবার দুপুরে মহানগর হাকিম আয়শা আক্তার মৌসুমীর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
শুক্রবার রাতে নগরীর বুড়ো মৌলভীর দরগার পাশে ৩ নং সড়কে ব্যাংক কর্মকর্তা ও তার বৃদ্ধ বাবা ইলিয়াস চৌধুরীকে হত্যা করা হয়েছিল।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঠু গণমাধ্যমকে জানান, রোববার রাতে গল্লামারি এলাকা থেকে লিটনকে পুলিশ আটক করে। এই এলাকায় তার বাড়ি হলেও সে ঢাকায় সদরঘাট এলাকায় জুতার দোকানে চাকুরি করে।
তিনি জানান, এলাকায় বখাটে এবং মাদকসেবী হিসাবে লিটনের পরিচিত রয়েছে। সে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে ডবল মার্ডারের কথা স্বীকার করে এবং নিজের দোষ স্বীকার করে।
দুপুরের পর লিটনকে পুলিশ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য আদালতে তোলেন। পরে মহানগর হাকিম আয়শা আক্তার মৌসুমীর খাস কামরায় জবানবন্দি নেয়া শুরু হয়।
লবনচোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারেফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মো. লিটন স্বীকার করেছে সে নিজেসহ মোট পাঁচ যুবক পারভিন সুলতানাকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। অনেকদিন থেকে তারা মেয়েটির ওপর নজর রাখছিল।
ওসি জানান, বাকি চার আসামীকে ধরার জন্য পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
এর আগে পুলিশের কাছে লিটন জানায়, পারভিন সুলতানার ধর্ষনের চিত্র মোবাইলে ধারণ করা হয়েছে। পুলিশ সেই ভিডিও এবং বাকি চার যুবকের সন্ধান চালাচ্ছে। একইভাবে মেয়েটি কম্পিউটারটি তারাই চুরি করেছে বলে স্বীকার করে লিটন।