ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:৪৫ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

“বেগম জিয়া সরকারের অর্জনকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে”

নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম জিয়া বর্তমান সরকারের অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দেয়ার পাঁয়তারা করছে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়া গণতন্ত্র সুসংহত করার কথা বলছেন। এতো ভূতের মুখে রাম নাম। অথচ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে বেগম জিয়া পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা ও অগ্নিসংযোগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তখন ওনার গণতন্ত্রের কথা মনে ছিল না।
মন্ত্রী আজ টঙ্গীর তুরাগ নদীর ল্যান্ডিং ষ্টেশনে বিআইডব্লিউটিএ আয়োজিত টঙ্গীর তুরাগ নদীর ৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীন নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক। বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, বিআইডব্লিউটিসির সদস্য (প্রকৌশল) মফিজুল হক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে ও নদীরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে সরকারের ব্যয় হয়েছে ২০ কোটি টাকা। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ৩০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে ও নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, মংলা বন্দরটি বিএনপি সরকারের আমলে মৃত নদী বন্দর হয়ে গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার এটিকে আবার পুনরুজ্জীবিত করেন। ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় এখানে লোকসান দেয়া হয়েছিল ১১ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে এখানে মুনাফা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, পটুয়াখালীতে পায়রা বন্দর নামে কোন বন্দর ছিল না। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে এটিকে আন্তর্জাতিক মানের বন্দর করার জন্য কাজ করে যাচেছ। ইতোমধ্যে এখানে কয়লার জাহাজ আসা শুরু হয়েছে। এখানে বড় বড় জাহাজ আসবে মালামাল নামাবে।
শাজাহান খান বলেন, নদী বাঁচলে দেশের অর্থনীতি সচল হবে। নদী বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে। তাইতো বঙ্গবন্ধুু শ্লোগান দিয়েছিলেন ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা’। বঙ্গবন্ধু নদীতে ঠিকানা খুঁজে পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, নদী আজ পলি পড়ে অচল হয়ে যাচ্ছে। আগের কোন সরকারই নদীর দিকে তাকায়নি। খননের জন্য একমাত্র শেখ হাসিনার সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি ৫৩টি নদী খননের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। ২০টি ড্রেজার কেনার জন্য ২ হাজার ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আমরা দেশের কোন নদী খনন বাদ দেব না।
শাজাহান খান বলেন, জিয়াউর রহমান মংলা-ঘাষিয়াখালীর খালগুলো দলীয় লোকদের কাছে লীজ দিয়েছিলেন। এতে নদীগুলো মৃতপ্রায় হয়ে গেছে। আমরা মংলা-ঘষিয়াখালীর সাড়ে ৪ হাজার অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করেছি। এখন সেখান থেকে মালবাহী জাহাজ চলাচল করে।