ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৭ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২১শে জুন ২০১৮ ইং

মোশাররফ হোসেন
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ফাইল ফটো

বুড়িগঙ্গা-তুরাগ-বালু নদীর নাব্যতা ফেরানো সম্ভব : গণপূর্ত মন্ত্রী

নগরের সাথে পরিচ্ছন্নতার নিবির সম্পর্ক থাকার কথা উল্লেখ করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করে এখনও বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি এ বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য সাংবাদিকদের লেখনীর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ‘সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করে এখনও বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর নব্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নগর উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকগণ তাদের লেখা জোরদার করলে সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজতর হয়।’

গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আজ জাতীয় প্রেস ক্লাব কনফারেন্স লাউঞ্জে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত সাংবাদিক এম ওমর ফারুকের স্মরণ সভায় একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে এম ওমর ফারুকের পরিবারকে ফোরামের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয় ।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ চেক মরহুম ওমর ফারুকের স্ত্রীর হতে তুলে দেন।

স্মরণ সভায় গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, অদূরদর্শী পরিকল্পনার কারণে তেজগাঁও শিল্প এলাকা এখন ঢাকার প্রধান কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। সে সময়ের পরিকল্পনাবিদগণ হয়তো চিন্তাই করেননি যে ঢাকা শহরের এমন সম্প্রসারণ ঘটবে। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদী পরিবেষ্ঠিত ঢাকাকে নান্দনিক পরিকল্পনায় আনা সম্ভব ছিল।

মন্ত্রী বলেন, একসময়ে দুর্গন্ধময় ইউরোপের টেমস নদী, বোফোর্স নদী, দক্ষিণ কোরিয়ার কান নদীও সংস্কার করে নান্দনিক করা হয়েছে। সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করে এখনও বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর নব্যতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

নগরের সাথে পরিচ্ছন্নতার একটি নিবির সম্পর্ক বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। নগর উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকগণ তাদের লেখা জোরদার করলে সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজতর হয়।

নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ডিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, রাজউকের নগর উপপরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, বাংলা ট্রিবিউনের হেড অব নিউজ হারুন উর রশীদ, ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মতিন আব্দুল্লাহ প্রমূখ।