Press "Enter" to skip to content

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হত্যার পর আত্মহত্যা এসআইয়ের

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় নারী সহকর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর এসআই দীপাংশু রাঠির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর এসআই দীপাংশুও আত্মহত্যা করেছেন।

আজ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানানো হয়েছে।

সংবাদে বলা হয়েছে, দিল্লির রোহিনী অঞ্চলে একই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন এসআই প্রীতি অহলাট ও সহকর্মী এসআই দীপাংশু। তারা ২০১৮ ব্যাচের স্নাতক। দীর্ঘদিন ধরেই মনে মনে প্রীতিকে ভালোবাসতেন দীপাংশু। সবশেষ প্রীতিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। তবে, প্রীতি সেটি প্রত্যাখ্যান করেন। আর এতেই দীপাংশুর মনে জন্ম নেয় ক্ষোভ।

পরে গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রীতি যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখন তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দীপাংশু।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রীতিকে লক্ষ্য করে তিনবার গুলি চালানো হয়েছে। তিনটি গুলিই প্রীতির মাথায় লাগে। যেকারণে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরপরই হত্যার অভিযোগ ওঠে দীপাংশুর বিরুদ্ধে।

পরে জানা যায়, প্রীতিকে হত্যার পর দীপাংশু নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।

ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

রোহিনী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এসডি মিশ্রের জানিয়েছেন, পূর্ব দিল্লির পতপরগঞ্জ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এলাকার থানায় কর্মরত ছিলেন এসআই প্রীতি অহলাট। তার বাড়ি হরিয়ানার সোনিপতে। রোহিনীতে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন প্রীতি ও সহকর্মী দীপাংশু।

প্রীতি ও দীপাংশুর মধ্যে আগে থেকে প্রেম ছিল কী না, বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণেই দীপাংশু হত্যা করেছে কী না, এমন অনেক প্রশ্নই উঠে এসেছে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। এছাড়া, একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে, বলেন অতিরিক্ত কমিশনার এসডি মিশ্রের।