ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:০৭ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

বিসিএস’র মাধ্যমে ২০,৭৮৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ সরকারের

জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি কর্মকমিশন ২০ হাজার ৭৮৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম মাহজাবিন খালেদের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৭টি বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে কমিশন বিভিন্ন ক্যাডারে এসব নিয়োগের সুপারিশ করে।
মন্ত্রী বলেন, এরমধ্যে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত ২৮তম বিসিএস-এ ২ হাজার ১৯৫ জন, ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত ২৯তম বিসিএস-এ ১ হাজার ৭৪৭ জন, ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত ৩০তম বিসিএস-এ ২ হাজার ৩৮৫ জন, ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিসিএস-এ ২ হাজার ৯৮ জন, ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিসিএস-এ (বিশেষ) ১ হাজার ৬৭৫ জন, ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত ৩৩তম বিসিএস-এ ৮ হাজার ৫০৬ জন এবং ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত ৩৪তম বিসিএস-এ ২ হাজার ১৭৭ জন।
তিনি বলেন, আগামী বছরের ৮ জানুয়ারি ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমিনারি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। একই মাসে ৩৭তম বিসিএস-এর বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে বলে কমিশন আশাবাদী।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতকার্য কিন্তু পদস্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের নন-ক্যাডার পদের জন্য আবেদনকারী এমন ৫ হাজার ১৭০ জন প্রার্থীকে ১ম ও ২য় শ্রেণীর গেজেটেড পদে নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্য পদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর স্বল্প সময়ের মধ্যে বিসিএস পরীক্ষায় কৃতকার্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে উপযুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা যাবে।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮০৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য বর্তমানে সরকারি কর্মকমিশনে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। ২০১৬ সালের এপ্রিল অথবা মে মাসে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রদান করা যাবে।
মন্ত্রী বলেন, স্বল্প সময়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রার্থী মনোনয়ন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নিয়োগ পরীক্ষার গুণগত মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন-সংযোজন বিষয়ে সুপারিশ প্রদানের জন্য কমিশনের গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি কাজ করছে। এই কমিটির সুপারিশ প্রাপ্তির পর সামগ্রিক সুপারিশ প্রদান প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে ১ বছরে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে কমিশন আশাবাদ ব্যক্ত করছে।