ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৩৩ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘বিশ্বব্যাংক স্বীকৃতি দিলেই কি, না দিলেই কি’

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাংক স্বীকৃতি দিলেই কি, না দিলেই কি। হাতের চুড়ি আয়নায় দেখতে হয় না। এই বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণে কাল্পনিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল। তারা কৃষিতে ভর্তুকি দেয়ার বিরোধিতা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিতে ভর্তুকিকে বিনিয়োগ হিসেবে দেখার ফলে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করায় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান। বুধবার বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য আনীত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
অন্যান্য সংসদ সদস্যরা বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বছর থেকে বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৬ মার্কিন ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হলে তা নিম্নমধ্যম আয়ের এবং ৪ হাজার ১২৬ ডলার থেকে শুরু করে ১২ হাজার ৭৩৬ ডলার হলে ওই আয়ের দেশগুলো মধ্যম আয়ের দেশ বলা হয়। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় গত তিন বছর ধরে বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ১ হাজার ৪৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্টে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যহত থাকলে আগামী ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘের মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর হবে।
তারা বলেন, শুধু জাতীয় আয় নয়, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে পৃথিবীর অগ্রগামী ২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। এমডিজি’র শেষ বছর ২০১৫ সালের মধ্যে দেশের দারিদ্র অর্ধেকে নামিয়ে শতকরা ২৮ ভাগে আনার কথা ছিল। ইতোমধ্যে এ বছর তা ২৩.৫ ভাগে আনা সম্ভব হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষাসহ প্রতিটি সামাজিক সূচকে আশানুরূপ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
সংসদ সদস্যরা বলেন, বিশ্বব্যাংকের এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতিকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ একটি সম্মানজনক অবস্থান করে নিয়েছে।