শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:৪২ ঢাকা, শনিবার  ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

বিবিসির সংলাপে ব্যাংকের টাকা লোপাটের তদন্ত দাবি

শীর্ষ মিডিয়া ২৭ সেপ্টেম্বর ঃ   বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে দুর্নীতি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনার সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগেরই এক নেতা। অন্যদিকে বিএনপির একজন নেতা বলেছেন, শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারির ঘটনার বিচার হলে ব্যাংকগুলোতে এসব ঘটনা ঘটতো না।
সিলেটে অনুষ্ঠিত বিবিসির বাংলাদেশ সংলাপ অনুষ্ঠানে তারা এই মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে একজন দর্শক জানতে চান, জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে যাওয়ার খবর গণমাধ্যমে বেরিয়েছে। ব্যাংকগুলোর এই দুরবস্থার জন্য কাকে দায়ী করা যায় ?
উত্তরে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান বলেন, ব্যাংকগুলোতে যা ঘটেছে সেগুলোর সাথে কারও অবৈধ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তিনি সরকারী দলেরই হোন বা আমলাই হোন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
তিনি বলেন, “ এ ব্যাপারে স্পষ্ট সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। সে তদন্তে এ বিষয়ে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদের কে আইনের কাঠগড়ায় নেয়া প্রয়োজন।”
সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম বলেন সরকারের মধ্যে থাকা চাটুকাররাই ব্যাংকগুলোতে এসব ঘটনার জন্য দায়ী। শুরু থেকেই এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলে ব্যাংকগুলোতে এসব ঘটনা ঘটতোনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “শেয়ার মার্কেটের জন্য তখনকার কেলেঙ্কারি ধরে তখন শাস্তি হলে এধরনের ঘটনা হতোনা। একটা অপরাধ হলে তার শাস্তি না হলে অপরাধ প্রবণতা বাড়ে। সে কারণেই আজ ব্যাংকের এ অবস্থা।”
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পরিষদে তাদেরই নিয়োগ দেয়া উচিত যারা এসব বিষয় ভালো জানেন বা বোঝেন। তাছাড়া কাউকে পরিচালনা পরিষদের নিয়োগ দেয়ার আগে নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
অপর প্যানেল আলোচক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক জায়েদা শারমিন বলেন ব্যাংক বা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।
তিনি বলেন, “সরকারের দায়ভার অস্বীকার করার কোন উপায় নেই এখানে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটরিং সিস্টেম উন্নত করা প্রয়োজন। পুরো বিষয়টি সরকারকেই দায়ভার নিতে হবে।”
আরেকজন দর্শক জানতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবী আরও একবার নাকচ করেছেন, যদিও বিভিন্ন জনসভায় জোরালোভাবে এই দাবী তুলছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। এই অনড় মনোভাব রাজনীতিতে কি সংঘাত অনিবার্য করে তুলছে?
জবাবে মিস্টার সেলিম বলেন দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনি মধ্যবর্তী নির্বাচন চায়। তবে মিস্টার কামরান বলেন মধ্যবর্তী নির্বাচন দেয়ার মতো কোন পরিস্থিতি দেশে এখনো তৈরি হয়নি।  তথ্য সূত্র বিবিসি ।