Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:৫৮ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

‘বিবিআইএন প্রকল্পে সহায়তা দিবে বিশ্বব্যাংক’

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য সহজীকরণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া, নেপাল (বিবিআইএন) প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিআয়ো ফানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি (বাংলাদেশ অংশ) বাস্তবায়ন করা হবে।

বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। বাংলাদেশ প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই কাজ করে আসছিল।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নে বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, নারীর ক্ষতায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে নিয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সকল ক্ষেত্রে সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। একসময় যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে আখ্যায়িত করেছিল, আজ তারাই বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে।

তিনি বলেন, দেশে একসময় সাড়ে সাত কোটি মানুষের খাদ্য সংকট ছিল, আজ ১৬ কোটি মানুষ খাদ্যের অভাব নেই। শুণ্যহাতে যাত্রাশুরু করে বাংলাদেশের রপ্তানি এখন ৩৪.২৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবৃদ্ধি ৯.৭২ শতাংশ। বর্তমান সরকার দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় নির্ধারণ করেছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকে আসবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিআয়ো ফানের সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ এখন বড় রড় প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা অর্জন করেছে। খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন বেশ শক্ত। নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী উন্নয়ন এবং এনার্জি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়ে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে, কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবেলা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের যোগাযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, এনার্জি, মানবিক উন্নয়নে সহযোগিতা দিয়ে যাবে বিশ্বব্যাংক। অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই)-এর বাণিজ্য উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম আধুনিক ও গতিশীল করতে বিশ^ব্যাংকের সহযোগিতা কামনা করেন। এতে করে বাংলাদেশের বাণিজ্য আরো আধুনিক, গতিশীল ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব(ডিজি,ডব্লিউটিও) শুভাষীশ বসু এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী সালাহ উদ্দিন আকবর এবং অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) মনোজ কুমার রায় এবং যুগ্মসচিব (এফটিএ) মুনির চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।