Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:২১ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

বিধ্বস্ত এয়ার এশিয়ার বিমানে লাশের সন্ধান

ইন্দোনেশিয়ার ডুবুরিরা গত মাসে বিধ্বস্ত এয়ার এশিয়ার বিমানের প্রধান কাঠামো থেকে আরো লাশ উদ্ধারে বৃহস্পতিবার অভিযান শুরু করেছে। নৌবাহিনীর একটি জাহাজের সাহায্যে এটি চূড়ান্তভাবে সনাক্ত হওয়ার একদিন পর তারা এ কাজ শুরু করলো।
বিমানটি ১৬২ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়া নগরী থেকে সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে গত ২৮ ডিসেম্বর এটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়।
দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান বারবার ব্যাহত হলেও সিঙ্গাপুরের একটি সামরিক জাহাজ বুধবার জাভা সাগরের তলদেশে উড়োজাহাজটির প্রধান কাঠামো সনাক্ত করে। বিমানটির আরোহীদের অধিকাংশের লাশ এ কাঠামোর মধ্যে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পানির নীচে সর্বাধনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তোলা বিভিন্ন ছবিতে এয়ার এশিয়ার বিমানটির প্রধান কাঠামো ও এর বিভিন্ন অংশ দেখা যায়।
অনুসন্ধান অভিযান সমন্বয়কারী উদ্ধার সংস্থার কর্মকর্তা এস.বি. সুপ্রিয়াদি এএফপিকে বলেন, ডুবুরিদের ১৫ সদস্যের একটি অগ্রবর্তী দল বিমানটির প্রধান অংশ পরীক্ষা করতে বৃহস্পতিবার ভোরে সমুদ্র তলদেশে যেতে পানিতে ঝাঁপ দেয়। তিনি আরো বলেন, বিমানটির ওই কাঠামোর মধ্যে কত জনের লাশ এখনো আটকা পড়ে রয়েছে তারা প্রথমে তা নিরূপণ করবে। তিনি আরো জানান, প্রাথমিক নিরূপণের পর আরো প্রায় ১শ’ ডুবুরি এ উদ্ধার কাজে যুক্ত হবে।
‘এ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সকলের লাশ যত শিগগিরই সম্ভব তুলতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী।’
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান বামব্যাং সোয়িলিস্তিয়ো জানান, ডুবুরিরা বিধ্বস্ত বিমানের এ অংশ থেকে লাশ উদ্ধারে সমস্যায় পড়লে এটি তুলে আনতে কর্মকর্তারা চেষ্টা চালাবে।
উদ্ধারকারীরা ইতোমধ্যে বড় ধরণের বেলুন ব্যবহার করে বিধ্বস্ত বিমানের লেজের অংশ সমুদ্রের তলদেশ থেকে ওপরে তুলে আনে। সমুদ্র তলদেশের যে অংশে বিমানটির প্রধান অংশের সন্ধান পাওয়া গেছে তার প্রায় দুই কিলোমিটারের মধ্য থেকে বিমানটির পেছনের অংশ ওপরে তুলে আনা হয়।