Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:১৬ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

বিদ্যালয় আলো দেয়-সে-আলোতে কেউ পুড়ে না বরং উজ্জ্বল হয়

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষার পেছনে ব্যয় কোন অপচয় নয়, বরং শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার জন্য এই ব্যয় হচ্ছে জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে গাজীপুরের ভাওয়াল মির্জাপুর হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষাথীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.শাহ কামাল। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর ২০১০ সালে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের হাতে যখন সরকার নতুন বই তুলে দেয়ার কাজ শুরু করে তখন একটি মহল এ ভাল কাজেরও বিরোধীতা করেছে। বিজি প্রেসে বই ছাপার জন্য রাখা কাগজে আগুন দেওয়া হয়।’ ঢাকার আশপাশের যত দমকল বাহিনী ছিল তাদের এক জায়গায় জড়ো করে আগুন নেভাতে সময় লেগেছিল তিন দিন-এ কথা উল্লেখ করে বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন,তারপরও ইংরেজী নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সকল শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়।’ কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয় আলো দেয়- আলো জ্বালায়, সে-আলোতে কেউ পুড়ে না বরং মানুষ সে-আলোতে উজ্জ্বল হয়। বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলার মানুষ যেন ক্ষুধায় অন্ন পায়, পরনের বস্ত্র পায়, রোগে চিকিৎসা পায়, মাথা গুজার ঠাঁই পায় এবং একই সঙ্গে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাঁর পিতার সেই অসমাপ্ত স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে শিক্ষার ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন, এই গুরুত্ব ইতোপূর্বে কেউই দেয়নি। আমরা বিনয়ের সঙ্গে এ দাবি করছি।’ তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি অহংবোধ করছি না, বলতে পারেন গর্ববোধ করছি। কেননা ইংরেজী বছরের প্রথম দিন-গত ১ জানুয়ারি’১৬, ১ম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দেওয়া হয়েছে।’ হাজী জমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো.মোহসীনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র সরকার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।