Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৪:৪০ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ভবনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির সফররত মানবসম্পদবিষয়ক মন্ত্রী রিচার্ড রায়ট আনাক জেম সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

‘বিদেশী কর্মী নেয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়ার’

বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। শুক্রবার দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি একথা জানিয়েছেন। খবর দ্য স্টার অনলাইন’র।

বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেয়ার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের একদিন পরই এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল দেশটি।

সারাওয়াকের কুচিংয়ে সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণে উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশিসহ সব বিদেশী শ্রমিক নেয়া বন্ধ রাখা হবে। আমরা সব নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদন জানাব- দেশীয় শ্রমিকদের নিয়োগ দিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কতো শ্রমিক আমাদের প্রয়োজন সে বিষয়ে সরকার সন্তোষজনক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিদেশী কর্মী নেয়া স্থগিত থাকবে।’

এ সময় উপস্থিত লোকজন বিপুল করতালি দিয়ে তার এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান।

আহমেদ জাহিদ হামিদি দেশটিতে সমস্ত অবৈধ শ্রমিকদের গ্রেফতার এবং তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলেও জানান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এই উপপ্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে যেসব চাকুরি বিদেশী শ্রমিকরা দখল করে আছে, সেখানে তরুণরা এসে নিজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূখ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ভবনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির সফররত মানবসম্পদবিষয়ক মন্ত্রী রিচার্ড রায়ট আনাক জেম সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তিটির মাধ্যমে মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের সোর্স কান্ট্রির আওতাভুক্ত হয় বাংলাদেশ। ফলে সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিংসহ সব খাতেই কর্মী পাঠানো যাবে।

এরপর বাংলাদেশ সরকারে পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, আগামী তিন বছরে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নিয়োগ নেবে।

তবে দেশে ফিরেই এ তথ্য নাচক করে পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে রিচার্ড রায়ট বলেন, ‘ওই খবর সত্য নয়।’

তিনি জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩২টি দেশে জনবল পাঠায়। দেশটি থেকে বিদেশে যেতে আগ্রহী শ্রমিকের সংখ্যা ১৫ লাখ। তারা মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে আগ্রহী।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশী সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন।