ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:৫৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খালেদা জিয়া
২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

বিতর্কিত মন্তব্যঃ খালেদা-গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মন্তব্য করায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হকের আদালত শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এর আগে আজ সকালে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ঢাকা সিএমএম আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করেন। মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নড়াইলের আমলি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে দুটি মানহানির মামলা করা হয়। শহীদ শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ আশিক বিল্লাহ মঙ্গলবার দুপুরে এক কোটি টাকা করে উভয়ের বিরুদ্ধে পৃথক এ দুটি মামলা দায়ের করেন।

নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মাদ জাকারীয়া মামলা দুটির বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ১১ ফেব্রুয়ারির (২০১৬) মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে খালেদা জিয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে বলে মন্তব্য করেন। এ ছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি স্বাধীনতা চাননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। তার এই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচার হয়।

এদিকে, অপর মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকায় এক আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।