ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৩৩ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ফাইল ফটো

বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচারাধীন মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের রহিম উল্লাহ’র এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা মতে পুরাতন মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রত্যেক আদালত সাক্ষীর সমন জারি নিশ্চিতপূর্বক সাক্ষীগণকে হাজির করে দ্রুততম সাক্ষ্য গ্রহণ, পুরাতন মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটরের নেতৃত্বে মনিটরিং সেল গঠন, প্রতি জেলায় কেস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন, বিচারকের শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রম গ্রহণ, অধিক সংখ্যক বিচারক নিয়োগসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এছাড়া আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, দরিদ্র, ও অসহায় জনগণকে আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনগত সহায়তা কমিটি গঠন, দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিস স্থাপন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে ডিজিটাল কজলিস্ট চালু করণ, এ ডি আর-এর মামলার জট কমানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, হাইকোর্ট বিভাগের ২০১৫ সালের ২৯ জুলাইয়ে জারিকৃত ১০ নম্বর সার্কুলার মোতাবেক নিম্ন আদালতে বিদ্যমান মামলাসমূহ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, মামলা বা মোকদ্দমায় একবার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলে (যৌক্তিক কারণে মুলতবি অপরিহার্য না হলে) সকল সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন (ডে টু ডে) শুনানি অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, তিন বছরের অধিক পুরাতন মামলা বা মোকদ্দমায় সাক্ষ্য গ্রহণকালে শুনানি যৌক্তিক কারণে মুলতবি একান্ত অপরিহার্য হলে যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ততম (বিরতিতে কোনক্রমেই এক মাসে অধিক নয়) পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করার ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুরাতন মামলা বা মোকদ্দমা শুনানির জন্য গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিদ্যমান মামলাগুলো যথাসম্ভব দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে উদ্যোগী রয়েছে।