ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:০৫ ঢাকা, শনিবার  ২৬শে মে ২০১৮ ইং

বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় স্থগিতের আহ্বান

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ১৯৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় অবিলম্বে স্থগিত করা উচিত। মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তার আপিলের করার সুযোগ দেয়া উচিত। সরকার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশের সংবাদে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
এ ব্যাপারে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্রাড অ্যাডামস বলেন, যে কোন ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।  এটা বিশেষ করে সমস্যার কারণ যখন বিচারপ্রক্রিয়া সুষ্ঠু বিচারিক মানদণ্ড অনুযায়ী হয়নি এবং যেখানে স্বতন্ত্র আদালতের মাধ্যমে মৃতুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকারের অনুমোদন নেই। ‘প্রেসিডেন্সিয়াল পারডন’ (প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমা) আপাতদৃষ্টিতে সম্ভব হলেও, এ ধরনের মামলায় এর সম্ভাবনা ক্ষীণ। ব্রাড অ্যাডামস বলেন, ১৯৭১-এ যে নির্মম অপরাধ সংঘটিত হয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বরাবরই তার ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমরা বারবার বলেছি যে, ভুক্তোভুগীদের জন্য সঠিক ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার স্বার্থে এসব বিচারপ্রক্রিয়াকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে হতে হবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিবৃতির শিরোনাম ও অংশ বিশেষ নিম্নে তুলে ধরা হলঃ

Death Penalty Should be Suspended Indefinitely; Trial Seriously Flawed

November 9, 2014

(New York) – The death sentence against Muhammed Kamaruzzman, a leader of the Jamaat-e-Islami party convicted of war crimes during Bangladesh’s 1971 war of independence, should immediately be stayed. Kamaruzzman should be granted a right to appeal against the death sentence.

Human Rights Watch is deeply concerned at news that the government has ordered the authorities at Dhaka Central jail to make preparations for the execution of Kamaruzzamn. Kamaruzzaman was transferred to Dhaka Central Jail following the appeals verdict, a signal that his execution is imminent. Kamaruzzaman and his counsel have yet to receive the full text of the final verdict, which is necessary for him to be able to lodge a petition for review of the decision within thirty days, a standard procedure in all death penalty cases. Government officials have indicated that the execution is possible before the full verdict is issued which goes against standard policy in death penalty cases.   ………………….

এই প্রতিবেদন Like & Share করুন।