ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৫৯ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সাবধান! ১৮ বিকাশ এজেন্টের ১০ লাখ টাকা হ্যাকিং করে নিয়ে গেছে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বিকাশ একাউন্ট হ্যাক করে গত শনিবার থেকে আজ রোববার বিকাল পর্যন্ত ১৮ জন এজেন্টের প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের খবর দিয়েছে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অনুসন্ধান করতে গিয়ে রাজধানীতেও বিকাশ এজেন্টের কাছে ফোন করে হ্যাকিং এর অপচেষ্টার খবর পাওয়া গেছে।

নিউজ পোর্টালটির সংবাদে বলা হয়েছে যে, কালীগঞ্জ গ্রামীণ সুজের মালিক ও বিকাশ এজেন্ট আসাদুল ইসলামের একাউন্ট থেকে ৪৭ হাজার টাকা হ্যাক করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কালীগঞ্জ শহরের ভিআইপি সুজের মালিকের বিকাশ একাউন্ট থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ী ইলিয়াস রহমান মিঠুর একাউন্ট থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে ।  তিনি বলেন, এ ভাবে কালীগঞ্জ শহরের নলডাংগা ভুষন রোডের বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে দশ লাখ টাকার উপরে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কালীগঞ্জ শহরের বিকাশ এজেন্টদের মাঝে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ বিকাশ ব্যবসায়ীরা জানান, বিকাশের হেড অফিসের সিম ক্লোন করে তাদের নম্বরে ফোন দেওয়া হয়। রাজধানী ঢাকার বিকাশ নম্বর থেকে ফোন করে তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করার আশ্বাস প্রাদান করা হয়। একপর্যায়ে এজেন্টদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সর্বশেষ তারা কত টাকার ব্যালেন্স ট্রান্সফার করেছে এবং কত টাকা জমা আছে।

এ ব্যাপারে বিকাশ এজেন্টের কালীগঞ্জ শাখার দায়িত্বরত কর্মকর্তা নুর আলম বলেন, আমারা কোম্পানীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে এজেন্টদেরকে সতর্ক করে থাকি। আর হেড অফিস থেকে লেনদেনের বিষয়ে কোন তথ্য চাওয়া হয় না বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়নি।

এ ব্যপারে শীর্ষ মিডিয়ার অনুসন্ধানে অনুরূপভাবে রাজধানীতেও হ্যাকিং চক্রের ফোন আসার সংবাদ পাওয়া গেছে, বিকাশ এজেন্ট খিলগাঁও সিপাহী বাগের বৈশাখী স্টোরসের মালিক মিজানুর রহমান জানান, তাকে গতকাল বিকাশের হেড অফিসের ১৬২৪৭ নম্বর থেকে একাটা ফোন করা হয়, ফোন করে বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার বিষয় নিয়ে আলাপ করা হয় যা তিনি আগে থেকেই জানেন, একপর্যায়ে দিনের ব্যালেন্স ট্রান্সফার এবং বর্তমান ব্যালেন্স জানতে চাওয়া হলে তার মনে সন্দেহের উদ্বেগ হয়  কারণ অফিস থেকে যে গাইডলাইন দেওয়া আছে তাতে লেনদেন জানানো নিষেধ করা ছিল। এরপর ফোনকারীকে দুষ্টচক্র মনে হওয়ায় আর লেনদেনের তথ্য না দিয়ে শাসিয়ে তিনি লাইনাটা কেটে দেন।

মনে করা হচ্ছে এ চক্র দেশব্যাপী এজেন্টের টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে এর সাথে বিকাশের অফিসের লোক জড়িত থাকতে পারে তা না হলে এজেন্ট নম্বর চিহ্নিত করে ফোন দিচ্ছে কিভাবে? এখনো আমরা এজেন্ট পর্যায়ে খুব একটা খোঁজ খবর নিতে পারিনি। এজেন্ট পর্যায়ে যথেষ্ট খোঁজ খবর নেয়া গেলে হয়তো এ ধরণের ঘটনা আরও বেরিয়ে আসবে।