শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৩২ ঢাকা, রবিবার  ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ফাইল ফটো

‘বিকল্প স্থানে সমাবেশ করবে বিএনপি’

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে আবারো অনুমতি চাইবে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা শেষ পর্যন্ত অনুমতি নেয়ার প্রচেষ্টা অব্যহত রাখবো। না হলে বিকল্প স্থানে সমাবেশ করবো।

শুক্রবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, সোহরাওযার্দী উদ্যানে একই দিনে একই স্থানে একাধিক রাজনৈতিক দল সমাবেশের অনুমতি চাওয়ায় কাউকেই সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘৭ ও ৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাধিক রাজনৈতিক দল সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে কাউকেই সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ভিন্নমতে বিশ্বাস করে না। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সরকারের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। সরকার যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চাইছে, এটি তারই প্রতিফলন। তিনি বলেন,আগে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিনটি পালিত হতো। এখন সরকার বাধা দিচ্ছে। গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে তারা এমনটি করত না। সরকার গণতন্ত্রের বিষয়েপ্র্রদ্ধা রেখে অনুমতি দেবে বলে আশা করি।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার সব সময়ই একটা অজুহাত খুঁজে। তাই আমরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প স্থানে সমাবেশের অনুমতি চাইবো। আশা করি সেখানে সমাবেশ করার অনুমতি পাবো।
জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির নেতাদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানান মির্জা ফখরুল। এ সময় অন্যদের মধ্যে রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির সভাপতি শফিউল বারী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত যে,৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চেয়েছিল বিএনপি। ৭ বা ৮ নভেম্বর এই সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল দলটি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল।
জানাগেছে, নয়াপল্টন কিংবা ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউশনে সমাবেশ করার বিকল্প স্থান বলে বিবেচনা করছে বিএনপি।